কুপুপ হ্রদ, যা বিতান চো বা এলিফ্যান্ট লেক নামেও পরিচিত, ভারতের পূর্ব সিকিমে জেলেপ লা গিরিপথের কাছে অবস্থিত একটি উচ্চভূমির হিমবাহজাত হ্রদ। ছবিটি ১৭ এপ্রিল ২০২৬ সালে তোলা। প্রায় ১৩,০৬৬ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই হ্রদটি ভারত-চীন সীমান্তের কাছে পুরোনো সিল্ক রুটের একটি অংশ এবং সাধারণত শীতকাল থেকে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বরফে আচ্ছাদিত থাকে।

ছবির উৎস, Nur Photo via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ভারত সরকার বলছে, ৫৬টি হিমবাহজাত হ্রদকে “অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে

    • Author, সৌতিক বিশ্বাস
    • Role, বিবিসি ভারত সংবাদদাতা
  • Published

  • পড়ার সময়: ৫ মিনিট

নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, হিমালয়ের হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ার ফলে, সেখানে হিমবাহ থেকে সৃষ্টি হওয়া হ্রদগুলো আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। ফলে হিমালয় অঞ্চল একটি বিপজ্জনক অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।

এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যার পর, যেখানে ১,৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। ঘটনাগুলো দ্রুত পরিবর্তনশীল হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছে।

বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিস্টেমিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দশক আগের তুলনায় বর্তমানে হিমালয়ের হিমবাহগুলো ৬৫% দ্রুত হারে তাদের আকার হারাচ্ছে।

প্রতিবেদনটি ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ইনিশিয়েটিভের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিমড) এবং জি বি পন্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান এনভায়রনমেন্ট।

তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমালয়-কারাকোরাম অঞ্চলে আনুমানিক ৪০ হাজার হিমবাহের মধ্যে মাত্র ২১টির বিস্তারিত এবং ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ করে এই প্রতিবেদন করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *