ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জেরে দু’বছর ধরে ‘ধর্ষণ’। এর পর ‘অবিবাহিত’ সঙ্গীর বাড়িতে হানা দিয়ে হতবাক সঙ্গিনী। দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরের বাড়িতে শুধু স্ত্রী নন, রয়েছেন মেয়ে আর জামাইও। পেশায় নার্স ওই মহিলা তাঁর সঙ্গীর ভরা সংসার দেখে বাড়ির সামনে চেঁচামেচি শুরু করেন। আর তাতেই বাঁধে গোলমাল। রাস্তার উপর মহিলার গলা টিপে খুন করার চেষ্টা করেন ওই ব‌্যক্তিটির জামাই। আতঙ্কে কাঁদতে কাঁদতে নিজের হুগলির আরামবাগের বাড়িতে ফিরে আসেন ওই নার্স। তিনি আরামবাগ থানায় তাঁর ‘সঙ্গী’র বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ ওঠে ব‌্যক্তির জামাইয়ের বিরুদ্ধেও। আরামবাগে পুলিশ ‘জিরো এফআইআর’ করে তা যাদবপুর থানায় পাঠিয়ে দেয়। তারই ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। যাদবপুর থেকেই পুলিশ রাজকমল চট্টোপাধ‌্যায় নামে ওই নার্সের ‘সঙ্গী’কে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব‌্যক্তির সঙ্গে নার্সের পরিচয় হয় বর্ধমানে। সেখানেই তিনি হাসপাতালে কাজের সূত্রে থাকতেন। সেখানে যাতায়াত ছিল রাজকমলের। দু’জনের মধ্যে প্রথমে বন্ধুত্ব ও তার পর ঘনিষ্ঠতা হয়। রাজকমল নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দেয়। একটি ফ্ল‌্যাটে দু’জন স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে থাকতে শুরু করে। মাসখানেক আগে হঠাৎই রাজকমল তার সঙ্গিনীকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। তার মোবাইলও বন্ধ। শেষপর্যন্ত বহু খোঁজার পর নার্স জানতে পারেন যে, সে যাদবপুরের বাসিন্দা। তার ঠিকানা জেনে মহিলা তার বাড়িতে এসে দেখেন সেখানে রয়েছেন স্ত্রী, মেয়ে, জামাই। এর পরই তিনি বাড়ির সামনে চেঁচামেচি শুরু করেন। রাজকমল বাইরে বের হননি।

আরও পড়ুন:

বেরিয়ে আসেন জামাই। দু’জনের মধ্যে বচসা হয়। মহিলার অভিযোগ, রাজকমলের জামাই তাঁর গলা টিপে খুনের চেষ্টা করেন। প্রাথমিকভাবে রাজকমলকে গ্রেপ্তারির পর পুলিশ জেরা করছে। ক্রমে জামাইয়ের বিরুদ্ধেও ব‌্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এদিকে, এক যুবতীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পূর্ব কলকাতার এন্টালির হোটেলে নিয়ে এসে ধর্ষণের অভিযোগে হাওড়ার ডোমজুড় থেকে অমিতশঙ্কর পাল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *