পাকিস্তানের কিংবদন্তী কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর সমাধিতে কাওয়ালি পরিবেশন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান।

নুসরাত ফতেহ আলী খান প্রায় তিন দশক আগে প্রয়াত হলেও তাঁর সংগীত ও অনন্য কণ্ঠ এখনো পাকিস্তানসহ বিশ্বের অসংখ্য শ্রোতার কাছে সমান জনপ্রিয়। প্রতিবছরের মতো এবারও তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে ভক্ত ও অনুরাগীরা তাঁকে স্মরণ করেন।

এদিন নুসরাতের শেষ শয্যায় শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে যান তাঁর ভাতিজা রাহাত ফতেহ আলী খান ও ছেলে শাহ জমান আলী খান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সমাধির পাশেই কাওয়ালি পরিবেশন করেন তারা।

এ সময় সেখানে উপস্থিত লোকজন ঐতিহ্যবাহী রীতিতে কাওয়ালি পরিবেশনকারীদের দিকে রুপি ছুড়ে দেন। রাহাতের এই পরিবেশনা দেখতে সমাধিস্থলে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থী।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই নুসরাতের সংগীত-ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে রাহাতের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তবে অন্য একটি অংশ সমাধিস্থলে কাওয়ালি পরিবেশনকে অনুচিত বলে প্রশ্ন তুলেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারী জানতে চেয়েছেন, একজন কিংবদন্তি শিল্পীর সমাধিস্থলে এভাবে কাওয়ালি পরিবেশন করা আদৌ কতটা শোভন। অন্যদিকে রাহাতের সমর্থকদের দাবি, এটি ছিল তাঁর চাচার সংগীত-ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনেরই একটি ভিন্নধর্মী প্রয়াস।

ফলে নুসরাত ফতেহ আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে রাহাত ফতেহ আলী খানের এই আয়োজন এখন শ্রদ্ধা ও বিতর্ক- দুইয়েরই কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রো-পাকিস্তান



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *