ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক স্তরে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক স্তরে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার প্রথম ১০০ দিনে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাকে ঘিরে কখনো আলোচনা হয়েছে কখনো বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

এই তালিকায় তৃণমূল জমানায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে রদবদল করে আনা অন্নপূর্ণা যোজনা, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকারের আয়ুষ্মান ভারত মতো কল্যাণমূলক প্রকল্প আছে।

কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর নীতি, বেআইনি দখলদারির বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান এবং সেখানে বুলডোজারের ব্যবহার, প্রস্তাবিত গুণ্ডাদমন বিল, গরু, মোষ সহ গবাদি পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে ১৯৫০ সালের প্রাণিসম্পদ আইন নতুন করে বলবৎ করা, ২০২০ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মন্দির-মসজিদসহ ধর্মীয় স্থান থেকে লাউড স্পিকার, মাইক খুলে নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে, তেমনি রয়েছে কলকাতার ই-এম বাইপাসে মেট্রো প্রকল্পের কাজের জট ছাড়ানো, আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সক্রিয়তার মতো পদক্ষেপও।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ১০০দিনে সরকারের পারফর্মেন্সের প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বলেছেন, “কী করে নিজের নম্বর দেব, তবে এই ক’দিনে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা, সাংবিধানিক কর্তব্য, জনকল্যাণ, কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। এরপর যোগ, বিয়োগ আপনাদের হাতে। আগামী দিনেও আমাদের সরকার মানুষের জন্য কাজ করবে।”

“২০২৭ সালের নয়ই মে আমার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এক বছর পূর্ণ হবে, ওই দিন আমি আপনাদের সামনে পরীক্ষায় বসব, পরীক্ষায় আপনারা নম্বর দেবেন আমায়। আমি যদি ১০-এর মধ্যে নয় নম্বর না পাই, তবে আপনাদের কাছে আমি ক্ষমা স্বীকার করে নেব যে, না অমি পারলাম না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *