জামিন পেলেন প্রশান্ত বর্মণ।Image Credit: TV9 বাংলা

কলকাতা: স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে খুনের অভিযোগ রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণের (Prashanta Barman) বিরুদ্ধে। পুলিশ এতদিন খুঁজে বেরালেও, তাঁর হদিস পায়নি কোথাও। সেখানেই এক সাধারণ জনতাই ‘সুপারহিরো’র মতো সাহস দেখিয়ে হাতেনাতে ধরলেন পলাতক প্রাক্তন বিডিও-কে। তবে কী লাভ হল? পুলিশ গ্রেফতার করলেও, রাতারাতি জামিন পেয়ে গেলেন প্রশান্ত বর্মণ। আর জামিন পেতেই পগারপার!

গত বছরের ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছির খালের ধার থেকে উদ্ধার হয় স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ। অভিযোগ ওঠে, তাঁকে অপহরণ করে খুন করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল ওঠে রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে। ২২ ডিসেম্বর প্রশান্ত বর্মণের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলে, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। তারপরই উধাও হয়ে যান প্রশান্ত বর্মণ।

পুলিশ এতদিন খুঁজেও তাঁকে পায়নি। তবে একজন সাধারণ নাগরিকের তৎপরতায়, সাত মাস পুলিশ যাকে খুঁজে পায়নি, তাঁকেই ধরা হল। সোমবার রাতে নিউটাউনে এক পথচারীকে ধাক্কা মারার পরই, শাকিল আহমেদ নামক এক স্কুটার চালক ধরেন মত্ত প্রশান্ত বর্মণকে। পুলিশকে খবর দেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশান্ত বর্মণের কীর্তি তুলে ধরেন।

জানা গিয়েছে, ইকো পার্ক থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও, জামিন পেয়ে যান প্রশান্ত। তাঁর বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-র ২৮১, ১২৫বি এবং মোটর ভেহিকল আইনের ১৮৪, ১৮৫ ধারায় এফআইআর রুজু হয়। এগুলি জামিনযোগ্য় ধারা। মঙ্গলবার বারাসত আদালতে পেশ করা হয় প্রশান্ত বর্মণকে। বিচারকের কাছে নথি জমা দিতে না পারায়, ১০০০ টাকার বন্ডে জামিন পেয়ে যান প্রশান্ত বর্মণ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *