এক দশকের বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েতে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিযুক্ত? এবার ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজের সুযোগ দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। সম্মানিক ও চিকিৎসা সুবিধাও মিলতে। এ নিয়ে অর্থ দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানালেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি টাকা নয়ছয় হলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি।

রবিবার বারাসত পুরসভার বিদ্যাসাগর হলে গ্রাম রোজগার সহায়কদের রাজ্যস্তরের সাধারণ সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “১০-১৫ বছর ধরে আপনারা কাজ করছেন। আপনাদের যোগ্য সম্মান, পারিশ্রমিক, চিকিৎসা সুবিধা এবং কমপক্ষে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত যাতে কাজ করেন, সেই ব্যবস্থা সংক্রান্ত কাজ এগোচ্ছে।” মন্ত্রী আরও জানান, পঞ্চায়েত দপ্তরের বিভিন্ন স্তরে প্রায় এক লক্ষ অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। সচিব, কমিশনার-সহ আধিকারিকদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামে কর্মসংস্থান বাড়ানোও লক্ষ্য তাঁর। পঞ্চায়েত দপ্তরের হাতে ১৪,২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচের সুযোগ রয়েছে বলে জানান দিলীপ। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিলের মধ্যে ৩০ কোটি শ্রমদিবস তৈরিই লক্ষ্য। বর্তমানে দৈনিক এক লক্ষের কিছু বেশি শ্রমদিবস তৈরি হচ্ছে। অক্টোবরের শেষে পাঁচ লক্ষ, নভেম্বর-ডিসেম্বরে ১৫ লক্ষে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন:

আবাস প্লাসে ৫৪.৫ লক্ষ বাড়ি চিহ্নিত হয়েছে। প্রায় ১২,৫০০ অযোগ্য উপভোক্তার টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া চলছে। নতুন এক লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরির পাশাপাশি সক্রিয় গোষ্ঠীগুলিকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ এবং ব্যাঙ্কের মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণের ব্যবস্থা হবে বলে জানান মন্ত্রী। স্কুল, আইসিডিএস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পঞ্চায়েত অফিস ও থানার পরিকাঠামো উন্নয়নেও কোটি টাকার প্রকল্প হবে। জঙ্গলমহলে হাতি ঠেকাতে ‘হাতিনালা’ প্রকল্পের কথাও বলেন তিনি। পুকুর সংস্কারের টাকা নয়ছয় হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপ বলেন, “জেলের ভাত খাওয়াব আমি।” সভা শেষে তৃণমূলকে নিশানা করতে ছাড়েননি দিলীপ। তাঁর কথায়, “আগের সরকার সাধারণ মানুষের বদলে নেতাদের উন্নয়নেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *