
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক ঢাবি উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বিষয়টি নিয়ে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আদালতে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন। অভিযোগে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত। তাদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানভীর হাসান সৈকত কারাগারে রয়েছেন। অন্যরা পলাতক বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীমের ভাষ্য, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলন দমনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রসিকিউশন আরও দাবি করেছে, তৎকালীন ঢাবি উপাচার্য মাকসুদ কামালসহ কয়েকজনের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়।
তবে আদালতে অভিযোগ আমলে নেওয়া বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সমান নয়। মামলার পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
