ইউরোপের শীর্ষ মানবাধিকার সংস্থা বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রোববার তারা ফিফার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন ২০৩০ সালের আসরের জন্য আরও শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করে। ওই আসর হবে মূলত স্পেন ও পর্তুগালে, সঙ্গে থাকবে আরও চার দেশ। 

স্পেন-আর্জেন্টিনার ফাইনাল ম্যাচের কয়েকঘণ্টা আগে ৪৬টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত ‘কাউন্সিল অব ইউরোপ’র প্রধান আনুষ্ঠানিকভাবে সহযোগী সংস্থা ফিফার কাছে খোলা চিঠিতে আহ্বান জানান, পরবর্তী সংকটটি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এর দুটি নাম রয়েছে: অর্থ ও ক্ষমতা।’

সুইস রাজনীতিবিদ অ্যালাইন বারসেটের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘চাপের মুখে যখন নিয়ম শিথিল করা হয়, তখন প্রতিটি ফলাফলই সন্দেহের মুখে পড়ে। রাজনৈতিক প্রভাব এখন খেলার মাঠেও এসে পড়েছে। আসর চলাকালীন যে নিষেধাজ্ঞাটি তোলা হয়েছিল, তা এসেছিল একজন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের ফোনালাপের পর।’

আবুধাবির অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘এডিআই প্রেডিক্টস্ট্রিট’ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহ পরেই এপ্রিল মাসে ফিফা তাদের সাথে প্রায় ১৫ কোটি (১৫০ মিলিয়ন) ডলার মূল্যের একটি ‘প্রেডিকশন মার্কেট’ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জুয়া শিল্পের সাথে ফিফার আরও অন্যান্য বাণিজ্যিক চুক্তিও রয়েছে।

‘ফিফার কাছে আমার প্রস্তাব হল, আজ রাতেই একটি কার্যকর আলোচনা শুরু করা, যাতে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ শুরুর আগেই এর স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার কাঠামোটি গড়ে তোলা যায়।’

আট বছর আগে ফিফা ও কাউন্সিল অব ইউরোপের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময় ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ‘এটি একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক। কারণ আমাদের মূল্যবোধ ও লক্ষ্য অভিন্ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, খেলাধুলায় নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার ও শিশু অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *