বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলবন্যা দেখেছে মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়াম। প্রথমার্ধে হেসেখেলে ফ্রান্স জালে চার গোল দেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ফরাসিরা। কাইলিয়ান এমবাপের জোড়া গোলে ৪ বার জালের দেখা পায় তারা। তবে বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে ইংলিশরা ম্যাচ জিতেছে ৬-৪ গোলে।

মিয়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ৪-০ ব্যবধানে। ইংল্যান্ডের হয়ে সাকার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি বাকি গোল তিনটি করেছেন ডেক্লান রাইস, এজরি কনসা ও জুড বেলিংহ্যাম। ফ্রান্সের হয়ে এমবাপের জোড়া গোলের পাশাপাশি বাকি গোল দুটি করেন ব্র্যাডলি বারকোলা ও উসমানে ডেম্বেলে।

ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে ইংলিশদের এগিয়ে নেন ডেক্লান রাইস। ১৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান এজরি কনসা। ৩৭ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন সাকা। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে নিজের জোড়া ও ইংল্যান্ডের চতুর্থ গোলটি করেন সাকা। ৪-০তে এগিয়ে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।

বিরতি থেকে ফিরেই ৪৮ মিনিটে গোল করেন এমবাপে। তাতে চলতি আসরে সর্বোচ্চ গোলের একক মালিক বনে যান তিনি। এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসান। ৬৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করার পর এবারের আসরে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টিতে, ৮ গোলে মেসি আছেন দ্বিতীয় স্থানে। আর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলে ছাড়িয়ে যান মেসিকে, ২২ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এখন ফরাসি তারকা।

এমবাপের দ্বিতীয় গোলের আগে অবশ্য ৫৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। ব্র্যাডলি বারকোলা গোলটি করেন। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টিতে বুকায়ো সাকা গোল করে হ্যাটট্রিক করেন। ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-৩ গোলে। এরপর যোগকরা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে ডেম্বেলের গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-৪। দুই মিনিট পর জুড বেলিংহ্যামের দৃষ্টিনন্দন গোলে ৬-৪ ব্যবধানে জয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *