একটি ছোট বিমানের ছায়ামূর্তি দেখা যাচ্ছে, যা আকাশে ছোট ছোট কণা ছিটাচ্ছে এবং তার পেছনে দীর্ঘ সাদা রেখা তৈরি হচ্ছে। বিমানের পেছনে ঘন, ধূসর মেঘ।

    • Author, মার্কো সিলভা ও লামিজ আলতালেবি
    • Role, বিবিসি ভেরিফাই ও বিবিসি নিউজ অ্যারাবিক
  • পড়ার সময়: ৫ মিনিট

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধের কারণে ‘মেঘ চুরি’ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে, এমন ভুয়া দাবি মধ্যপ্রাচ্যের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

এক সপ্তাহ আগে আল-রাশিদ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি দাবি করেন, প্রতিবেশী তুরস্ক ও ইরান নাকি অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বিমান ব্যবহার করে মেঘ ‘ভেঙে ফেলা’ এবং ‘চুরি’ করার চেষ্টা করছে।

কোনো প্রমাণ না দিয়েই তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক দিন ও মাসগুলোতে ইরাকে আবার বৃষ্টি ফিরেছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের যুদ্ধ নিয়ে ‘ব্যস্ত’ থাকায় তারা আর এসব করতে পারছে না।

কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের হাতে এখনও এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যার মাধ্যমে ‘মেঘ চুরি’ করা সম্ভব।

ইরাকের আবহাওয়া অধিদপ্তরের মুখপাত্র আমের আল-জাবিরি এই দাবিকে ‘বৈজ্ঞানিক বা যুক্তিসঙ্গত নয়’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরেই যুদ্ধ শুরুর (২৮শে ফেব্রুয়ারি) অনেক আগে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল যে ২০২৬ সাল ইরাকে বৃষ্টিপূর্ণ হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *