রাজ্যে পালাবদলের পরেও তোলাবাজি চালাচ্ছে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা! এমনই অভিযোগ সামনে এল হাড়োয়া থানার শংকরপুর এলাকা থেকে। পেট্রল পাম্প থেকে বাইকে পেট্রল ভরিয়েও টাকা দিতে অস্বীকার করেন তৃণমূলের এক নেতা। তাঁর কাছ থেকে টাকা চাওয়া হলে উলটে পেট্রল পাম্পের কর্মীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চাওয়া হয়। না দেওয়ায় পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার ও মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ২ তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ধৃতদের নাম জাহাঙ্গীর আনসারী ও আনসারুল মোল্লা। এদিন শংকরপুর এলাকার একটি পেট্রল পাম্পে এসে বাইকের ফুল ট্যাঙ্ক পেট্রল ভরান জাহাঙ্গীর। পেট্রল পাম্পের কর্মীরা তাঁর কাছ থেকে টাকা চাইতেই চটে যান তিনি। পালটা পাম্পের কর্মীদের কাছ থেকেই মোটা অঙ্কের টাকা তোলা চাইতে থাকেন তৃণমূলের দুই নেতা। এই নিয়ে পেট্রল পাম্পে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে এই পেট্রল পাম্প থেকে দিনের পর দিন তোলাবাজি চলেছে। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর রুখে দাঁড়ান পাম্পের কর্মীরা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তোলাবাজির চেষ্টার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন দুই তৃণমূল নেতা।

আরও পড়ুন:

জাহাঙ্গীর আনসারী ও আনসারুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাড়োয়া থানায়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই নিয়ে বিজেপি নেতা বিমল দাস বলেন, “শুধু পেট্রল পাম্প নয়, জামাকাপড়ের দোকান থেকেও কেনাকাটা করে টাকা দিত না তৃণমূল নেতারা। টাকা চাইলে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখাত। গোটা পশ্চিমবঙ্গেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *