সমালোচনা কম সইতে হয়নি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে। আবির্ভাবের পর থেকেই এআই ঘিরে নিন্দার ঝড় বয়েছে। চাকরি খাওয়া থেকে পরিবেশ দূষণ, সামগ্রিক ভাবে মানব সভ্যতার ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে শোনা গিয়েছে এআইয়ের নাম। আর এই পরিস্থিতিতে এআইকে সমালোচনা করার নতুন ‘কারণ’ খুঁজে পাচ্ছেন বহু মানুষ। মনে করা হচ্ছে, স্মার্টফোন থেকে ল্যাপটপ, মহার্ঘ হচ্ছে সবই।

কিন্তু কেন? এআইয়ের সঙ্গে কী সম্পর্ক স্মার্টফোনের মূল্যবৃদ্ধির? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গিয়েছে, এআই সংস্থাগুলি ‘লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল’, কোডিং এজেন্ট এবং অন্যান্য টুল প্রশিক্ষিত ও পরিচালনা করার জন্য এগুলো ব্যবহার করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক প্রসারের ফলেই মেমরি ও স্টোরেজ চিপের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এবং এর ফলেই এগুলির দাম গগনচুম্বী হয়ে পড়েছে। ফোন, ল্যাপটপ এবং গেমিং কনসোলেও ঠিক এই চিপগুলিই ব্যবহৃত হয়। ব্যবহার করা হয় ডিভাইসে ডেটা আদানপ্রদান ও তথ্য সংরক্ষণের কাজেও। ফলে চিপের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কায় এগুলিরও দাম বাড়বে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

আরও পড়ুন:

অ্যাপল সিইও টিম কুক সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাক- সবেরই দাম বাড়তে পারে মেমরি কার্ডের দাম বাড়ার ফলে। এবং এই মূল্যবৃদ্ধি এড়ানো অসম্ভব। অন্যদিকে মেমরি চিপের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার এসকে হাইনিস্ক, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স এবং আমেরিকার মাইক্রন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সব ক’টি সংস্থারই ভ্যালুয়েশন বাড়ছে লাফিয়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রকৃতপক্ষে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকেই স্মার্টফোনের দাম হু হু করে বাড়ছে। এমনকি কোনও কোনও মডেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। তবে অ্যাপল সম্ভবত এই পরিস্থিতিতেও এখনও পর্যন্ত সুরক্ষিত রয়েছে কারণে যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পণ্যের দাম আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। তবে এবার সেখানেও মূল্যবৃদ্ধির ‘কালো মেঘ’ দেখছেন খোদ টিম কুক।

আরও পড়ুন:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *