বনেদি বাড়ি থেকে পাড়ার সর্বজনীন পুজো। প্রতিটি পাড়ার প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতিমা থেকে পুজো মণ্ডপে জোরকদমে চলছে কাজ। থেমে নেই পুরোহিতদেরও প্রস্তুতি। দেবী দুর্গার আহ্বান থেকে বিসর্জন প্রতিটি পদ্ধতি থাকে তাঁদের কাঁধে। তাই সঠিক পদ্ধতিতে পুজোর প্রক্রিয়া নিয়ে কোলাঘাটে আয়োজিত হল সাত দিনের প্রশিক্ষণ শিবির। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের কোলাঘাট শাখা এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। সাতদিনের কর্মশালা শেষে পুরোহিতরা জানাচ্ছেন, এই শিবিরের গুরুত্ব অনেক। তাঁদেরও অনেক সময় ভুল ত্রুটি থাকে। তা শুধরে নেওয়া গেল।

কোলাঘাট ব্লক এলাকার ২০ জন জন পুরোহিত বুধবার শেষ দিনের কর্মসূচীতে অংশ নেন। কেউ যাবেন মহারাষ্ট্রে,দিল্লি আবার কেউ আসবেন কলকাতায়। অনেকে পুজো করবেন পূর্ব মেদিনীপুরেরই বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে। শেষদিনের প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সনাতন রাজ্য ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের রাজ্য সভাপতি পদ্মনাভ চক্রবর্তী। সঠিক সংস্কৃত মন্ত্র উচ্চারণ,দুর্গা পুজোর পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজোর নিয়ম-পদ্ধতি কীভাবে নির্ভুলভাবে করতে হয়, তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:

এই প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে পদ্মনাভ বলেন, “দুর্গাপুজো যুগের পর যুগ হয়ে আসছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পুরোহিতদের মধ্যে সঠিক সংস্কৃত উচ্চারণের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। পদ্ধতিতেও অনেক সময় ত্রুটি ঘটে। তার জন্যই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সঠিক পুজো পদ্ধতি নিয়ে এই সাত দিনের পুরোহিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।” প্রশিক্ষণে নবপত্রিকার আগমণ থেকে বাঁধার কৌশল। কী কী দিতে হবে সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রশিক্ষণ নিতে আসা রাইন গ্রামের পুরোহিত প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি সাতদিন এই প্রশিক্ষণ নিয়েছি। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দুর্গাপুজো করছি। এ বছর মহারাষ্ট্রে যাচ্ছি।তবে এই প্রশিক্ষণ আমার কর্মজীবনে অনেকটাই কাজে লাগবে। মূলত সংস্কৃত উচ্চারণের ক্ষেত্রে কিছু কৌশল কাজে আসবে। আবার নবপত্রিকা সময় কোন জাতের কলা গাছ ব্যবহার করা উচিত তা অনেকেই জানেন না। তা এই প্রশিক্ষণ থেকে আমি ছাড়া অন্যান্য পুরোহিতেরও অনেক জানতে পারল।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *