চার বছর পর উইম্বলডনে কামব্যাক। তবে সেটা অবশ্য সুখের হল না সেরেনা উইলিয়ামসের জন্য। আবার এটাও ঠিক, জেতাটাই হয়তো সব নয়। অনেক সময় ‘ফুরিয়ে যাইনি’ এটা বোঝানোর জন্য লড়তে হয়। তাই হয়তো ৪৪ বছরে উইম্বলডনে নামেন সেরেনা। ২০ বছর বয়সি মায়া জয়েন্টের কাছে তিনি ৩-৬, ৭-৬, ৩-৬ ব্যবধানে হারলেন ঠিকই। তবে গ্যালারি থেকে তাঁর মেয়ে অলিম্পিয়া ও আদিরা দেখল এক নাছোড়বান্দা মাকে। সেরেনার এই অদম্য লড়াইয়ের সঙ্গে চর্চায় আরও একটি জিনিস। সেটা হল মার্কিন টেনিস তারকার ঘড়ি। যাতে ছিল ৩২টি হিরে, ১৮ ক্যারেটের সাদা সোনা। দাম কত সেই ঘড়ির?

অস্ট্রেলিয়ার টেনিস তারকা মায়ার জন্মানোর আগে তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম জিতে ফেলেছিলেন সেরেনা। এখন তিনি ২৩টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক। ৪৪ বছরে ২ ঘণ্টা ২২ মিনিট ধরে লড়াই করা মুখের কথা নয়। তবু দুই সন্তানের মা সেরেনা লড়লেন। প্রথম সেটে তিনি ৩-৬ ব্যবধানে হেরে যান। দ্বিতীয় সেটে ৭-৬ ব্যবধানে কামব্যাক। তবে শেষরক্ষা হয়নি। তৃতীয় সেটে ৩-৬ ব্যবধানে হেরে যান। মায়া জিতলেন ঠিকই, তবে সমস্ত আলো যেন সেরেনার উপর। সেটা শুধু তারকা বলে নয়, এই লড়াকু মানসিকতার জন্য। তিনি বলেছিলেন, মেয়েদের জন্য কামব্যাক করবেন। গ্যালারিতে বসে দুই মেয়ে যদিও মাকে অষ্টম গ্র্যান্ড স্লাম জিততে দেখতে পেল না। কিন্তু তারা দেখল, সেরেনার হাল না ছাড়া মনোভাব। যে কারণে সেরেনা আজও সেরেনাই।

আরও পড়ুন:

তবে চর্চায় আরও একটি বিষয়। সেটা হল সেরেনার ঘড়ি। ম্যাচের পুরো সময়েই তাঁর হাতে রইল গোলাপি সেই ঘড়ি। রয়্যাল ওক অফশোর সেলফওয়াইন্ডিং ক্রোনোগ্রাফ ঘড়িটি সুইস ঘড়ি নির্মাতা অডেমার্স পিগেটের তৈরি। ১৯৯৩ সালের একটি ডিজাইনের আদলে এটি তৈরি। উইম্বলডনের পোশাক বিধির কড়াকড়ির মধ্যেও ফ্যাশান স্টেটমেন্টের নতুন সংজ্ঞা লিখছেন তিনি। ১১.৫ মিমি পুরু ডায়ালটিতে ছিল ১৮-ক্যারেট সাদা সোনার কাঁটা। তার চারপাশের গোলাকৃতি বেজেলে বসানো ছিল ৩২টি হিরে। এতে প্রায় ৪৪টি রত্ন বসানো ছিল। সব মিলিয়ে ঘড়িটির দাম প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *