নরওয়ে: ২ (আন্তোনিও নুসা, এরলিং হালান্ড) আইভরি কোস্ট: ১ (আমাদ দিয়ালো)

খবর অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে শেষপর্যন্ত কথা বললেন বড়ো তারকারাই। দীর্ঘ সময়ের লড়াইয়ের পর এরলিং হালান্ডের শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে আইভরি কোস্টকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠে গেল নরওয়ে।

– বিজ্ঞাপন –

৮৬ মিনিটে জয়সূচক গোল নরওয়ের  

ডালাসে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথম গোল আসে নরওয়ের পা থেকেই। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের বাড়ানো বল থেকে দুর্দান্ত শটে জাল কাঁপান আন্তোনিও নুসা। সেই গোলেই বিরতিতে এগিয়ে ছিল ইউরোপের দল।

দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি আইভরি কোস্ট। পরিবর্ত হিসেবে নেমে ম্যাচের রংই বদলে দেন আমাদ দিয়ালো। ৭৪ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে সমতা ফেরান তিনি। সেই সময় মনে হচ্ছিল ম্যাচ হয়তো অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে।

কিন্তু বড় ম্যাচে বড়ো ফুটবলারের উপস্থিতিই পার্থক্য গড়ে দেয়। ৮৬ মিনিটে ডান দিক থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে বক্সের মধ্যে সঠিক জায়গায় উপস্থিত ছিলেন এরলিং হালান্ড। সহজ টোকায় বল জালে জড়িয়ে নরওয়েকে আবার এগিয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান আর মুছে দিতে পারেনি আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

এ বার নরওয়ে মুখোমুখি হবে ব্রাজিলের

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নরওয়ের উল্লাসে ভরে ওঠে মাঠ। হালান্ড-ওডেগার্ডদের দল কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল। সেখানে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ—পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

বিজ্ঞাপন

আইভরি কোস্ট হারলেও তাদের লড়াই প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে তারা বারবার নরওয়ের রক্ষণে চাপ তৈরি করেছিল। তবে সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে নরওয়ে ছিল অনেক বেশি কার্যকর। আর সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠলেন এরলিং হালান্ড।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *