এশিয়াডে নামার আগে কম প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়নি তাঁকে। ভারতীয় দলে তিনি একমাত্র জিমন্যাস্ট, সঙ্গে ছিল না কোনও ফিজিও বা সাপোর্ট স্টাফ। এমনকী নাগোয়ায় পৌঁছে সময়মতো বিশ্রাম নেওয়ার ঘরটুকুও জোটেনি। তবে সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে রীতিমতো চমকে দিলেন বঙ্গকন্যা প্রণতি নায়েক।
এশিয়ান গেমস জিমন্যাস্টিক্সে পদকের দৌড়ে টিকে থাকলেন প্রণতি। এবার নাগোয়ায় শুধু ভল্টে অংশ নিয়েছেন এই বঙ্গ-কন্যা। মঙ্গলবার ছিল তারই যোগ্যতা অর্জন পর্ব। সেখানে প্রথম ভল্টে ১৩.০০০ পয়েন্ট স্কোর করেন প্রণতি। দ্বিতীয় সুযোগে পান ১২.৪৩৩ পয়েন্ট। সব মিলিয়ে ১২.৯১৬ পয়েন্টের গড় নিয়ে সপ্তম হয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
অথচ নিজের ইভেন্টে নামার আগে প্রণতিকে রীতিমতো ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। বৃহস্পতিবার জাপানে আইচি-নাগোয়ায় পৌঁছন ভারতীয় জিমন্যাস্ট ও গতার কোচ অশোক মিশ্র। নাগোয়ায় একটি ক্রুজের জাহাজকে অস্থায়ীভাবে গেমস ভিলেজ বানিয়ে তাঁদের থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সেখানে পৌঁছে জানা যায়, প্রণতি এবং তাঁর কোচ অশোক মিশ্রকে একটাই ঘরে থাকতে দেওয়া হয়েছে। স্বভাবতই বিষয়টি নিয়ে বিব্রত হয়ে পড়েন দু’জনেই। সঙ্গে সঙ্গে আয়োজকদের জানানো হয়। তারপরও দীর্ঘক্ষণ কোনও সুরাহা হয়নি। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের হস্তক্ষেপে অশোকের জন্য় ঘর বরাদ্দ হয়। ততক্ষণে রাত দু’টো বেজে গিয়েছে। পরেও নানাবিধ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে প্রণতিকে। তবে সেসব ভুলে আপাতত তাঁর ফোকাস পদক জয়ে।
অন্যদিকে, টেবল টেনিসের টিম ইভেন্টে শূন্যতাই সঙ্গী হল ভারতের। এদিন দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে নেমেছিল পুরুষ দল। সেখানে ৩-০ ব্যবধানে জেতেন কোরিয়ানরা। প্রথম ম্যাচে হরমীত দেশাই হারেন ১-৩ গেমে। এরপর মনুশ শাহ কিছুটা লড়াই করেন। তবে তিনিও হার মানেন ২-৩ সেটে। তৃতীয় ম্যাচে মানব ঠক্কর হারেন ১-৩ গেমে। ফলে শেষ ষোলোতেই সমাপ্ত হয় পুরুষ দলের পদক-দৌড়। অন্যদিকে, প্রি-কোয়ার্টারে মহিলা দল থাইল্যান্ডকে হারায় ৩-২ ব্যবধানে। কিন্তু এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তর কোরিয়ার সামনে দাঁড়াতেই পারেননি শ্রীজা আকুলারা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
