বার্মিংহ্যাম : একাধিক বিতর্ক যেন লেগেই আছে পাকিস্তানে। মাঠের মধ্যে খেলা বাদ দিয়ে মাঠের বাইরের জিনিস নিয়েই বেশি চর্চা পাক মহলে। আগেই জানা গিয়েছিল, তৃতীয় টেস্টের আগে ৭ জন ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান বোর্ড। এবার জানা গেল এক ভয়ঙ্কর তথ্য। এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে পাকিস্তান বোর্ড।
পাক সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, এজবাস্টন টেস্ট শেষ না হওয়া অবধি খেলোয়াড়দের ফোন বোর্ডের কাছে জমা থাকবে। এমন নির্দেশ দিয়েছেন কোচ মাইক হেসন। প্রথম ২ টেস্টে বাজে পারফরম্যান্স করার পর সরফরাজ খানকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে মাইক হেসনকে নিয়ে এসেছিল পিসিবি। তিনি নিজেই এই নির্দেশগুলি দিয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, পাকিস্তান বোর্ড আশঙ্কা করেছে, হয়ত ক্রিকেটাররা বেটিং-এর সঙ্গে যুক্ত, তাই তারা এত বাজে খেলছে। এই আশঙ্কা থেকেই সবার ফোন বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে।
কী বলছে আইসিসি-র নিয়ম?
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন ড্রেসিংরুম বা ওই জাতীয় এলাকাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
৪.১.১ – ম্যাচ চলাকালীন কোনও ব্যক্তি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকি তাঁরা ওই সংরক্ষিত এলাকাতে ফোন বা কোনও যোগাযোগের ডিভাইস রাখতে/ব্যবহার করতে পারবেন না।
৪.১.২ – ইন্টারনেট ব্যবহার বা অন্য কোনও উদ্দেশ্যে ওই এলাকাতে ল্যাপটপ, কম্পিউটার নিয়ে যাওয়া বা ব্যবহার করা যাবে না।
৪.১.৩ – এই এলাকার ভেতর/বাইরে থেকে কোনও প্রকার ফোন করা/ফোন ধরা যাবে না।
আইসিসির এই স্ট্যান্ডার্ড প্রটোকল সাধারণত কেবল নির্দিষ্ট ম্যাচের সময় ও ড্রেসিংরুমের মতো সীমাবদ্ধ এলাকার জন্যই প্রযোজ্য। কিন্তু ম্যাচ শুরুর আগেই ক্রিকেটারদের ফোন কেড়ে নেওয়া যায়? এই নিয়ম নিয়েই চর্চা চলছে সমাজমাধ্যমে। অনেকে বলছেন বেটিং স্রেফ ভয়, আসলে যাতে মনঃসংযোগ নষ্ট হওয়ার ভয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক বোর্ড।
