বিধবা প্রেমিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উলুবেড়িয়া থানার শশাবেড়িয়ায়। আহত যুবতী আশঙ্কাজনক অবস্থায় উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। অভিযুক্ত ইতিমধ্য়েই গ্রেপ্তার করেছে উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ পাল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত যুবতীর বাড়ি বিশ্বজিতের বাড়ির কাছেই। মঙ্গলবার সকালে তিনি পাশের দোকানে জিনিস কিনতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিশ্বজিৎ তাঁর পিছু নেন। এরপরই ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবতীর ঘাড়ে কোপ মারেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরেই বিশ্বজিৎ এলাকা থেকে চম্পট দেন। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। আহত যুবতীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় বিশ্বজিৎকে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর চারেক আগে ওই যুবতীর স্বামীর মৃত্যু হয়। তাঁর এক মেয়ে রয়েছে। মেয়েকে নিয়ে তিনি বাড়িতে একাই থাকেন। তাঁদের বাড়ির অদূরেই বিশ্বজিতের বাড়ি। যুবকের বাড়িতে মা, স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বিশ্বজিতের সঙ্গে ওই যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি ওঠে, যা নিয়ে বিশ্বজিতের পরিবারে অশান্তি চলছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন ওই যুবতী। কিন্তু তা মানতে নারাজ ছিলেন বিশ্বজিৎ। তাই রাগে তিনি ওই যুবতীর উপর হামলা করেন। স্বামীর পরকিয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বিশ্বজিতের স্ত্রী। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সংসারে কোনও টাকা পয়সা দেয়না বিশ্বজিত। স্বামীর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
