সমাজমাধ্যমের ফলোয়ারের হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতা। ট্রাম্প, পুতিন, জিনপিংয়ের পরে অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতা। বুধবার মোদিকে নিয়ে মুগ্ধতা জানালেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের বড় ভাই বলার পাশাপাশি বিষ্ণুর শেষ অবতার বলেও সম্বোধন করলেন।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে প্রধানমন্ত্রী মোদির ২৫ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ করেন, তাঁর নেতৃত্বে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জোরদার করায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর কণ্ঠস্বর জোরালো করা এবং আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি-২০-এর স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে মোদির ভূমিকারও প্রশংসা করেন শেরিং তোবগে।
আরও পড়ুন:
হিন্দুস্তান টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনে মোদির সাহস, প্রজ্ঞা ও সহমর্মিতার কথা বলেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “বিকশিত ভারত-এর গুরুত্ব ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে বিস্তৃত। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে মোদি সর্বদা প্রতিবেশী দেশগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি ‘ভয়েস অফ গ্লোবাল সাউথ সামিট’ আয়োজন এবং জি-২০-তে আফ্রিকান ইউনিয়নকে স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সফল প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছেন।”
আরও পড়ুন:
এখানেই না থেমে মোদির সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা উল্লখ করেন শেরিং তোবগে। তিনি লিখেছেন, “আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি সরকার প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ করায়, আমার ২০১৯ সালের সেই স্বতঃস্ফূর্ত কথোপকথনের কথা মনে পড়ছে। ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ আমাদের পরবর্তী সাক্ষাতের কথাও মনে আছে। ততদিনে আমি ফের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলাম। আমার বড় ভাইকে (মোদিকে) বিষ্ণুর অবতার হিসেবে দেখার কথা বলার পাঁচ বছর পর, আমি দিল্লিতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম।” বিশৃঙ্খলা দূর করা, ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার নিরিখে মোদিকে বিষ্ণুর শেষ অবতার কল্কি হিসাবে তুলনা করেন শেরিং তোবগে। নিজের লেখায় ভারত-ভুটানের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
