বাংলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে নয়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। রাজনৈতিক দলগুলির ‘বাইক বাহিনী’ আগেই নিষিদ্ধ করেছিল কমিশন। এবার নিজস্ব ‘বাইক বাহিনী’র পরিকল্পনা নিয়ে ময়দানে নামছে তারা। মূলত অলিগলিতে ছড়িয়ে থাকা বুথগুলোতে যাতে পুলিশ সময়মত পৌঁছতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতেই এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

শনিবার রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের সব থানার ওসি ও আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বহু বুথ অলিগলিতে বা ঘিঞ্জি অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। পুলিশের বড় গাড়ি বা পিসিআর ভ্যান সেখানে সব সময় পৌঁছতে পারে না। সেই সব অঞ্চলে যাতে কোনও গন্ডগোল না হয়, তাই এই ‘বাইক বাহিনী’র পরিকল্পনা। যাতে কোনও সমস্যার খবর পেলে দ্রুত সেখানে পুলিশ হাজির হতে পারে। এর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারে ‘বাইক বাহিনী’ নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন।

এবার তাদের নিজস্ব ‘বাইক বাহিনী’তে জোর দেওয়া হয়েছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়ার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে। শহরতলির বহু বুথ অলিগলিতে ছড়িয়ে। সেগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে বহু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। কোন অঞ্চলে কত গলিতে বুথ রয়েছে, সেই অনুযায়ী কত বাইক প্রয়োজন, থানাগুলোর থেকে সেই তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন। যেন পরিকাঠামোর অভাবকে অজুহাত হিসেবে না দেখানো যায়।

অন্যদিকে, বিভিন্ন জেলায় সিভিক ভলেন্টিয়ারদের পুলিশের পোশাক পরিয়ে কাজ করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ পেয়েছে কমিশন। শনিবার পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়। কোনও ভাবেই সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *