বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে আমানতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ১৩১.৮৬ কোটি টাকা তুলেছিল একটি নামী আন্তঃরাজ্য সংস্থা। সম্প্রতি ওই সংস্থার তিন কর্তার বাড়ি ও অফিস-সহ দেশের প্রায় ২০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর মধ্যেই কলকাতার ৬টি জায়গায় চলে তল্লাশি। এ ছাড়াও মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর ও রাজস্থানের জয়পুরেও চলে তল্লাশি। ইডির সূত্র জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযানে নগদ এবং অন্যান্য অস্থাবর সম্পত্তি মিলিয়ে ২.৭৫ কোটি টাকার বেশি সম্পদ উদ্ধার, বাজেয়াপ্ত বা ফ্রিজ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ এবং ৪,৮০০ মার্কিন ডলার বিদেশি মুদ্রাও রয়েছে। সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের টাকা এবং অন্যান্য বহু বিনিয়োগের সন্ধানও পেয়েছেন ইডির গোয়েন্দারা।
তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষ পর্যন্ত প্রায় ৭১.০৪ কোটি টাকা আমানতকারীদের বকেয়া ছিল। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তোলা টাকার একাংশ ওই গ্রুপের ডিরেক্টর ও কর্মীদের মাধ্যমে বিভিন্ন শেল তথা ভুয়া সংস্থায় সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই টাকা দিয়ে প্রোমোটার ও শেল সংস্থার নামে জমি-বাড়ি-সহ বিভিন্ন স্থাবর সম্পত্তি কেনা এবং নগদ টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছে।
আরও পড়ুন:
জয়পুর, ইন্দোর ও দিল্লিতে হোটেলে বিনিয়োগ, স্কুল, আবাসিক সম্পত্তি এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছে বলে ইডির দাবি। বেনামি ব্যক্তি বা সংস্থার নামে থাকা ২০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের সম্পত্তি সংক্রান্ত নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডির অভিযোগ, ওই সংস্থা তথা গ্রুপের বেশ কয়েকটি সংস্থার মাধ্যমে আমানতকারীদের কাছ থেকে বিপুল টাকা তোলা হয়। আমানতকারীদের নির্দিষ্ট ও আকর্ষণীয় রিটার্নের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরবর্তীতে বহু আমানতকারী তাঁদের টাকা ফেরত পাননি।
তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষ পর্যন্ত প্রায় ৭১.০৪ কোটি টাকা আমানতকারীদের বকেয়া ছিল। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তোলা টাকার একাংশ ওই গ্রুপের ডিরেক্টর ও কর্মীদের মাধ্যমে বিভিন্ন শেল তথা ভুয়া সংস্থায় সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই টাকা দিয়ে প্রোমোটার ও শেল সংস্থার নামে জমি-বাড়ি-সহ বিভিন্ন স্থাবর সম্পত্তি কেনা এবং নগদ টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছে। ২০টি জায়গায় তল্লাশিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং অভিযুক্তদের সঙ্গে যুক্ত হাওয়ালা লেনদেনের রেকর্ডও উদ্ধার করেছে ইডি। ইডির গোয়েন্দাদের মতে, এই নথি ও রেকর্ড থেকে অপরাধের টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং কীভাবে তা বিভিন্ন স্তরে ঘোরানো হয়েছে, সেই বিষয়ে আরও তথ্য মিলতে পারে। এই ব্যাপারে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ইডি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
