পুজোর শাড়ি, পছন্দের ব্লাউজ বা ব্যাকলেস পোশাক—সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। কিন্তু আয়নার সামনে দাঁড়াতেই চোখ আটকে যাচ্ছে পিঠের অতিরিক্ত মেদে? ভুঁড়ির মতোই পিঠের চর্বিও সহজে কমে না। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা, নিয়ন্ত্রিত খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের সঙ্গে কয়েকটি ব্যায়াম অভ্যাসে আনলে পিঠ ও কাঁধের পেশি টানটান রাখতে সাহায্য করতে পারে। হাতে থাকা কয়েক সপ্তাহে তাই শুরু করতে পারেন এই চারটি ব্যায়াম।

ক্রিসেন্ট মুন পোজ়

ডান হাঁটু ভাঁজ করে ডান পায়ের পাতা মাটিতে রাখুন। বাঁ পা পিছনে যতটা সম্ভব প্রসারিত করুন। এ বার দু’হাত মাথার উপর তুলে শরীরের উপরিভাগ সামান্য পিছনে হেলান। প্রায় ৩০ সেকেন্ড এই অবস্থানে থাকুন। পরে পা বদলে একই ভাবে করুন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন।

– বিজ্ঞাপন –

ট্রাইসেপ এক্সটেনশন

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বা বসে দু’হাতে একটি হালকা ওজনের বোতল মাথার উপর তুলুন। কনুই ভাঁজ করে বোতলটি মাথার পিছনে নামিয়ে আনুন। এর পর কনুই সোজা করে আবার মাথার উপর তুলুন। ধীরে ধীরে কয়েক বার করুন। ওজন এমন রাখুন, যাতে কাঁধ বা কনুইয়ে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

ধনুরাসন

উপুড় হয়ে শুয়ে দুই হাঁটু ভাঁজ করে গোড়ালি নিতম্বের দিকে আনুন। দু’হাতে গোড়ালি ধরুন। এ বার ধীরে ধীরে পা ও বুক মাটি থেকে উপরে তুলুন। পেটের অংশ মাটিতে থাকবে। সামর্থ্য অনুযায়ী ২০–৩০ সেকেন্ড ধরে রেখে ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরুন।

শোল্ডার রোল

শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়ান। দুই কাঁধ ধীরে ধীরে ১০ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং ১০ বার বিপরীত দিকে ঘোরান। এটি কাঁধের নড়াচড়া ও পেশির সক্রিয়তা বাড়াতে সাহায্য করে।

তবে মনে রাখবেন, শুধু পিঠের ব্যায়াম করলেই পিঠের চর্বি আলাদা করে কমানো সম্ভব নয়। নিয়মিত হাঁটা বা অন্য কার্ডিয়ো ব্যায়াম, শক্তিবর্ধক শরীরচর্চা এবং সুষম খাবারের সঙ্গে এই ব্যায়ামগুলি করলে সামগ্রিক ফিটনেস ও শরীরের গড়ন উন্নত হতে পারে। নতুন করে ব্যায়াম শুরু করলে নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী ধীরে শুরু করুন; ব্যথা হলে থেমে যান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *