মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৭ এএফসি এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ে স্বাগতিক জর্ডানের বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু করেছিল বাংলাদেশ। শুরুতেই সুরভী আকন্দ প্রীতির গোলে এগিয়ে লিড আসে। ৮৯ মিনিটে গোল হজম করে ১-১ সমতায় জয়বঞ্চিত হয়েছে অর্পিতা বিশ্বাসের দল। জর্ডানের গোলটি এসেছে মিরা জারার থেকে।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় মিনিটে প্রথম আক্রমণে ওঠার পর বল ঠেকান জর্ডান গোলকিপার। গোল কিক নেয়ার সময় ডি বক্স পার করায় ফ্রি কিক দেন রেফারি। সেখান থেকে ফরোয়ার্ড মামোনি চাকমার শটে বল পান সুরভী আকন্দ প্রীতি, হেডে করেন গোল। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

জর্ডান প্রথম গোলমুখে আক্রমণ করতে পারে ১৬ মিনিটে। সেই শট ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশ গোলকিপার মেঘলা রানী রায়। পরের সব আক্রমণ ছিল বাংলাদেশের, খেলা ছিল গোছানো, বল দখলে বাংলাদেশের আধিক্য। অর্পিতা বিশ্বাসের দল কয়েকটি কর্নার পেলেও গোলবারের উপর আর বাইরে দিয়ে মারেন।

প্রথমার্ধে আরও সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের। ৪৩ মিনিটে মামোনি চাকমার আরেকটি ফ্রি কিক গোলবারের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে সুরভীর বুলেটগতির শট ঠেকিয়ে দেন জর্ডান গোলকিপার। ১-০তে এগিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতির পর বেশ খানিকটা গুছিয়ে খেলার চেষ্টা করে জর্ডান। স্বাগতিকদের আক্রমণেও আসে গতি। বাংলাদেশের কৌশলের কাছে পেরে ওঠেনি জর্ডান মেয়েরা। বিরতির পর থেকে বাংলাদেশও বেশকিছু আক্রমণ করে সুফল পাচ্ছিল না।

৮০ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণে বেশ ভয় ধরিয়েছিল জর্ডান। গোলকিপার মেঘলার দৃঢ়তা, ক্রানুচিং ও অর্পিতা বিশ্বাসের জন্য সে যাত্রায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ।

তবে ৮৯ মিনিটে জর্ডানকে আর আটকে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ফরোয়ার্ড মিরা জারার গোলে ১-১ সমতায় আসে জর্ডান। পরের মিনিটে বাংলাদেশ আরও একটি গোল করে, তবে রেফারি অফসাইডে বাতিল করে দেন। সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায় অর্পিতা বিশ্বাসের দলের। ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *