
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- How UAE’s visa ‘restrictions’ hit Bangladesh labour market অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা ‘নিষেধাজ্ঞা’ কীভাবে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রভাব ফেলছে।
এই প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে, বাংলাদেশিদের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশের ভিসা পাওয়া এখন কতোটা কঠিন।
“সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা পাওয়া এখন এভারেস্টে ওঠার চেয়েও কঠিন।”
এভাবেই বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশের ২৭ সদস্যের এক প্রতিনিধি দলের এক সদস্য, যাঁরা কষ্টেসৃষ্টে আবুধাবিতে ৯–১৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন কংগ্রেসে অংশ নেওয়ার জন্য ভিসা পেতে সক্ষম হন।
প্রায় দুই মাস ধরে এই দলটি, যার মধ্যে দুইজন সরকারি সচিবও ছিলেন- ভ্রমণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে হিমশিম খেয়েছেন।
তারা একের পর এক নথি জমা দিয়েছেন, কর্মকর্তাদের ফোন করেছেন বারবার, আর অপেক্ষায় থেকেছেন উদ্বেগ নিয়ে। ৮ অক্টোবরের ফ্লাইটের টিকিট ও সপ্তাহখানেক আগেই হোটেল বুকিং থাকা সত্ত্বেও ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাদের পাসপোর্টে কোনো ভিসা লাগানো হয়নি, যখন উড়াল দেওয়ার সময়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি।
শেষ মুহূর্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তড়িৎ হস্তক্ষেপ এবং উচ্চপর্যায়ের অনুরোধের পর রাতের দিকে ভিসা আসে, ঠিক সময়ে বিমানে ওঠার মতোই সামান্য ব্যবধানে।
তাদের এই ভোগান্তি একক ঘটনা নয়। ৬–৭ অক্টোবর দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ফরেক্স এক্সপোতেও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী ভিসা না পাওয়ায় যেতে পারেননি বলে জানা গেছে।
এমনকি জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌম্য সরকারকেও চলতি মাসের শুরুতে নির্ধারিত টি২০ সিরিজে অংশ নিতে পারেননি, কারণ তার ইউএই ভিসা সময়মতো আসেনি।


নিউ এইজ পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- 14 serving officers taken into custody: Bangladesh Army, অর্থাৎ হেফাজতে নেয়া হয়েছে ১৪ জন সেনা কর্মকর্তাকে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ জন কর্মরত কর্মকর্তা এবং অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা আরও একজন কর্মকর্তাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। এদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও জুলাই মাসের হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে।
শনিবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার এই কর্মকর্তাদের সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়, এক মেজর জেনারেল অনুমতি ছাড়াই দায়িত্ব থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন।
মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৃহস্পতিবার ঢাকায় যোগ দেন, আর একজন কর্মকর্তা বর্তমানে অবসরোত্তর ছুটিতে আছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা ওই কর্মকর্তা সহ ১৫ জনকেই সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে মেজর জেনারেল কবির অনুমতি ছাড়া দায়িত্বে অনুপস্থিত রয়েছেন, যা অবৈধ।’

এই খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সশস্ত্র বাহিনীর আর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরিকল্পনা নেই।
শনিবার বাসসকে প্রেস সচিব বলেন, ‘আমরা আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটরের দপ্তর থেকে জানতে পেরেছি, এই মুহূর্তে সশস্ত্র বাহিনীর আর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরিকল্পনা নেই।’
শতাধিক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে যাচ্ছে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে শফিকুল আলম বলেন, ‘এই খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া গুজব।’
তিনি জনগণকে এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এ ধরনের অপপ্রচার সাধারণ মানুষের মধ্যে, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে।’
প্রেস সচিব জানান, সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) বিলুপ্ত করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তিনি আরও বলেন, ‘সংস্থাটির সীমান্তবর্তী ও বহির্দেশীয় গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে সরকার সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে।’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান দুই দিন পেছানো হয়েছে। ১৫ই অক্টোবরের পরিবর্তে ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই অনুষ্ঠান হবে।
গতকাল শনিবার প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। জনসাধারণের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গতকাল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।
ঐকমত্য কমিশন সূত্র জানায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে নিজেদের সুপারিশ এখনো চূড়ান্ত করেনি ঐকমত্য কমিশন। তারা এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করছে। সনদ বাস্তবায়নের উপায় বিশেষ করে গণভোটের দিন এবং ভিন্নমত থাকা প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে দলগুলোর মতপার্থক্য কমিয়ে আনা যায় কি না, সে চেষ্টা করছে ঐকমত্য কমিশন।
প্রধান উপদেষ্টা রোম সফর শেষে দেশে ফেরার পর আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ তাঁর কাছে জমা দেওয়া হতে পারে জানা গেছে। সূত্র জানায়, কমিশনের মেয়াদ ১৫ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা। তবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।

আগামী ১৫ অক্টোবর বুধবার নয়, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে ১৭ অক্টোবর শুক্রবার। ওইদিন বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই অনুষ্ঠান হবে।
জুলাই সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত বিষয়গুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি, বিশেষ করে গণভোটের সময় নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও সনদে স্বাক্ষরের জন্য বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট সব দল দু’জন করে প্রতিনিধির নাম ঐক্যমত্য কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে।
গতকাল শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ও ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ‘জনসাধারণের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে’ জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসও আজ রবিবার রাতে ইতালির রোম যাচ্ছেন। আগামী বুধবার তার দেশে ফেরার কথা।

রাজধানীর কাকরাইলে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ককটেল বিস্ফোরণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ লাটিপেটা, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে পুলিশি বাধায় সমাবেশটি পণ্ড হয়ে যায়। যদিও প্রথমবার পণ্ড হওয়ার পর দ্বিতীয়বারও নেতাকর্মীরা জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। তখনও পুলিশ তাদেরকে আবারো সরিয়ে দেয়। গতকাল বিকাল ৩টা থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে দুপুর থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরসহ নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার, বন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তি, মব ভায়োলেন্স বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে জাপা। এদিন সমাবেশের শুরু থেকেই সেখানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। এ সময় বক্তারা সরকারবিরোধী বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাত বছরের পর বছর ধরে নিজস্ব উদ্যোগে বেড়ে উঠেছে, কিন্তু এখনো তা বড় পরিসরে অবহেলিত রয়ে গেছে, যদিও চলমান গ্যাস সংকটের সময়ে এটি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
শনিবার এক নীতিগত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, এলপিজিই একমাত্র জ্বালানি পণ্য, যা কোনো ভর্তুকি ছাড়াই বেড়েছে, এবং এর দাম ও সহজলভ্যতার দিক থেকে এটি অন্যান্য জ্বালানির তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিম বলেন, “এর সাশ্রয়ী ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে দহন, সহজ পরিবহনব্যবস্থা এবং সরবরাহের নিরাপত্তার কারণে গত দুই বছরে শিল্পখাতে এর ব্যবহার প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে।”
দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফওজুল কাবির খান বলেন, “এলপিজির অন্যতম সুবিধা হলো এটি তুলনামূলকভাবে সহজে আমদানি করা যায় এবং লাইটারেজের মাধ্যমে পরিবহনও সুবিধাজনক।”

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির কার্যকর হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার শুরু হয়েছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, গত শুক্রবার থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫৫ লাশ আনা হয়। তার মধ্যে ১৩৫ লাশ ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির ফলে উদ্ধারকর্মীরা প্রথমবারের মতো প্রবেশ করতে পেরেছেন ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে।
এ দিকে হামাস-নিয়ন্ত্রিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, গতকাল শনিবার এক দিনেই প্রায় ৫০ হাজার মানুষ গাজা সিটিতে ফিরেছেন। সংস্থার কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-মুগাইয়ির বলেন, ‘গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট প্রায় আড়াই লাখ মানুষ গাজা সিটিতে ফিরে এসেছেন।’
চুক্তি বাস্তবায়নের পর গত দিনে গাজার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকেও বহু লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, এর মধ্যে ৪৩টি লাশ পাঠানো হয়েছে আল-শিফা হাসপাতালে এবং ৬০টি আল-আহলি আরব হাসপাতালে। নুসেইরাত, দেইর আল-বালাহ এবং খান ইউনুসের হাসপাতালগুলোতেও লাশ পৌঁছানো খবর পাওয়া গেছে।

এই প্রতিবেদনে আরও বলা হচ্ছে, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ সীমিত এবং তা দ্রুত কমে আসছে। বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত ও গৃহস্থালিতে ব্যবহারের জন্য আমদানীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে।
আবার অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে এলএনজি আমদানিতে রয়েছে সীমাবদ্ধতা। ফলে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিপ্রেক্ষিতে দেশে গ্যাসের চাহিদা পূরণে ভালো বিকল্প হতে পারে এলপিজি। তবে বাংলাদেশে এলপিজির দাম বেশি এবং তা এলপিজি খাতের সম্প্রসারণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
প্রয়োজনীয় সরকারি নীতিসহায়তা এবং আমদানি ও সরবরাহের জন্য উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে ভোক্তা পর্যায়ে সাশ্রয়ী মূল্যে এলপিজি সরবরাহ করা সম্ভব।
গতকাল বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে এসব কথা বলেন বক্তারা। ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ কনক্লেভ অনুষ্ঠিত হয়।
