শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ছবির উৎস, NARENDRA MODI/X

ছবির ক্যাপশান, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রীয় স্তরে সম্পর্ক শুধু ঐতিহাসিকই নয়, পারস্পরিক আস্থারও বটে। একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে যে সম্পর্কের সূচনা, তা আজ অর্ধশতাব্দী পরেও কমবেশি অটুট থেকেছে।

বছর দেড়েক আগেও যখন আওয়ামী লীগ ইতিহাসে তাদের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল, তখনও ভারত দলটির সর্বোচ্চ নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে আশ্রয় দিয়েছে এবং সম্মানিত অতিথির মর্যাদায় আজও তাঁকে কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ে রেখেছে।

শুধু তাই নয়, ২০২৪-র ৫ই অগাস্টের পর আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী, সাবেক এমপি-মন্ত্রী, সমর্থক ও অ্যাক্টিভিস্টরাও ভারতে আশ্রয় পেয়েছেন এবং ভারতের মাটি থেকেই যতটা সম্ভব রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই সময়কালের মধ্যে ভারত অজস্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে, তারা বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) ও পার্টিসিপেটরি (অংশগ্রহণমূলক) নির্বাচন দেখতে চায় – যেটার অর্থ, ভারত চেয়েছে সে দেশের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ লড়ার সুযোগ পাক।

কিন্তু বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ায় দেশটির নির্বাচন কমিশন সেই সুযোগ দলটিকে দেয়নি – এবং আওয়ামী লীগকে ছাড়াই শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *