১৯৫০ সাল মনে করিয়ে দিল গ্রিনল্যান্ড। ২০২১ সালে গ্রিনল্যান্ডে একদিনে যে বিপুল পরিমাণ বরফ-চাদর গলে পানি হলো, তার ক্ষতির পরিমাণ সেই ১৯৫০ সালের এ ক্ষতির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ২০১২ এবং ২০১৯ সালেও গ্রিনল্যান্ডের বরফ চোখে পড়ার মতো গলেছিল। মেরুবলয়ের ওপর পানিবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। সেই উদ্বেগের মধ্যেই একদিনে গ্রিনল্যান্ডে ২২ গিগাটন বা ১০০ কোটি মেট্রিক টন বরফ গলে পানি হয়ে গেল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যে পরিমাণ বরফ গলেছে তার পানি অনায়াসে গোটা ফ্লোরিডাকে ঢেকে দিতে পারবে। ফ্লোরিডা চলে যেতে পারে অন্তত ২ ইঞ্চি পানির নিচে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এভাবে বরফ গলতে থাকলে, এক সময় গ্রিনল্যান্ডের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে বিছিয়ে থাকা বরফের পুরো অংশ গলে যেতে পারে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে ২০ থেকে ২৫ ফুট! গ্রিনল্যান্ডের আয়তন প্রায় ৬ লাখ ৫৬ হাজার বর্গমাইল। এর ৮০ শতাংশই বরফে আচ্ছাদিত। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা বলছে, গত কয়েক বছরে এই এলাকার বরফ সবচেয়ে দ্রুত গলেছে। আর এই পরিমাণ বরফ গলার কারণে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতিবছর প্রায় ০.০৩ ইঞ্চি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালে বিশ্বে জুড়ে সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ সালেই জুলাই মাস ছিল ‘হটেস্ট জুলাই’। বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বেড়েছে প্রায় ২.১৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট (১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। শুধু গ্রিনল্যান্ড নয়, প্রভাব পড়েছে উত্তর মেরুতেও। অন্যান্য বছরের থেকে দ্রুতগতিতে বরফ গলছে আর্কটিক অঞ্চলে।

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *