তরুণ একজন পুরুষ গিটার হাতে একটি চেয়ারে বসে আছেন, তার সামনে একজন নারীও আরেকটি চেয়ারে বসা, তার পেছনে একটি শিশু হাত দিয়ে ওই নারীর কাঁধ জড়িয়ে আছে। সবার মুখে হাসি। তারা একটি বনের মাঝে বসে আছেন। তাদের সামনে কয়েকটি লাগড়িতে আগুন জ্বলছে

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, গবেষকদের মতে, গান গাওয়া হলো বুদ্ধিবৃত্তিক, শারীরিক, আবেগগত ও সামাজিক কর্মকাণ্ড

গুনগুন করে গাইতে থাকা গানে যেমন মানুষের মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আনন্দ বা বিষাদ ফুটে ওঠে, আবার গানের মধ্য দিয়েই ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ বা বিজয়োল্লাস।

যিনি গান গাইছেন তিনি যেমন এক রকম ভালোলাগা ছড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার তার নিজের অজান্তেই তার স্বাস্থ্যকেও তিনি চাঙ্গা করে তুলছেন।

মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে হৃদ্‌যন্ত্র পর্যন্ত—গান গাওয়া নানামুখী উপকার বয়ে আনে বলে প্রমাণ মিলেছে, বিশেষ করে যখন তা দলবদ্ধভাবে গাওয়া হয়।

এটি মানুষকে কাছাকাছি আনে, রোগ প্রতিরোধে শরীরকে প্রস্তুত করে এবং এমনকি ব্যথাও কমাতে পারে।

তাহলে কি নিজের কণ্ঠে আনন্দঘন সুর তোলা উচিত?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *