ভূমিকম্প

ছবির উৎস, Getty Images

সম্প্রতি মরক্কোর মধ্যাঞ্চলে ছয় দশমিক আট মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা। এর কয়েক মাস আগেই তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বে এবং সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে আঘাত করা দু’টি বিধ্বংসী ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল এবং আরও অনেক মানুষ আহত বা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছিল। কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ এসব ভূমিকম্প আঘাত করে।

চলতি বছরের ছয়ই ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে সাত দশমিক আট মাত্রার ভূমিকম্পে যখন তুরস্ক ও সিরিয়া সীমান্তের মানুষের মাথার ওপর বাড়িঘর ভেঙে পড়ছিল, ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগই তখন ঘুমে।

বড় কোনো দুর্যোগ আসতে যাচ্ছে এমন ইঙ্গিত সেমিওলজিস্ট বা এধরণের সংকেত নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা পান সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সংবেদনশীল যন্ত্রগুলোর মাধ্যমে।

কারণ প্রথম দফা ভূমিকম্পের ফলে তৈরি হওয়া ভূকম্পন সারা বিশ্বকে নাড়া দেয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর সাত দশমিক পাঁচ মাত্রার বড় আকারের দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানে।

উভয় ক্ষেত্রেই ভূমিকম্প আপেক্ষিকভাবে অগভীর হওয়ার অর্থ হলো, কম্পনের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *