ফ্রান্স: ৩ (এমবাপ্পে ২, বারকোলা) সেনেগাল: ১ (এমবায়ে)
খবর অনলাইন ডেস্ক: দুই গোল করে ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে সেনেগালের বিপক্ষে জিতিয়ে দেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়লেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। মঙ্গলবার গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচে এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ অভিযানও দারুণভাবে শুরু করল ফ্রান্স।
– বিজ্ঞাপন –
প্রথমার্ধে গোলশূন্য, দ্বিতীয়ার্ধে ৪ গোল
প্রথমার্ধে সেনেগাল ফ্রান্সকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। তবে ম্যাচের ৬১তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এরপর ৭৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা ব্র্যাডলি বারকোলা গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন।
ম্যাচের শেষ দিকে ইব্রাহিম এমবায়ে সেনেগালের হয়ে একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে অসাধারণ এক দূরপাল্লার শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া তাঁর শক্তিশালী শট জালে জড়ালে দর্শকেরা মুগ্ধ হয়ে যান।
এই জোড়া গোলে এমবাপ্পের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪। ফলে তিনি পশ্চিম জার্মানির কিংবদন্তি গার্ড মুলারের সমান হয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় যৌথ তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তাঁর সামনে রয়েছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজে ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, যাদের দুজনেরই গোল ১৬টি। ব্রাজিলের রোনাল্ডোর গোল ১৫টি।
এ ছাড়া ফ্রান্সের জার্সিতে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ৫৮। এর মাধ্যমে তিনি অলিভিয়ে জিরুকে ছাড়িয়ে ফ্রান্স জাতীয় দলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচের পরে ফ্রান্সের প্রতিক্রিয়া
ম্যাচশেষে এমবাপ্পে বলেন, “নিজ দেশের ইতিহাসে আরও কিছু যোগ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। তবে আমরা জানি, আমাদের মূল লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা। রেকর্ড নিয়ে ভাবার সময় পরে আসবে।”
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁ বলেন, “প্রথমার্ধে আমরা ভালো খেলিনি, সেনেগাল আমাদের চেয়ে ভালো ছিল। তবে জয় দিয়ে শুরু করতে পারাটা স্বস্তিদায়ক।” ফ্রান্সের ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবাও স্বীকার করেন যে প্রথমার্ধে তাদের দল প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি।
বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে খেলছে ফ্রান্স। তাদের পরবর্তী ম্যাচ ইরাকের বিপক্ষে ফিলাডেলফিয়ায়। এর পর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হবে তারা।
