ভিক্টোরিয়া, কম বয়সী এক নারী, লম্বা বাদামী চুল আর নীল চোখ তার। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় তার ক্লোজ আপ ছবি
ছবির ক্যাপশান, চ্যাটজিপিটি জবাব দিয়েছিল, “যে জায়গাটার কথা জানতে চেয়েছেন, অনাবশ্যক সহানুভূতিশীলতা বাদ দিয়েই জায়গাটা খতিয়ে দেখা যাক”

সতর্কীকরণ : এই প্রতিবেদনে আত্মহত্যা ও আত্মহত্যার মনোভাব নিয়ে আলোচনা আছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের জন্য মন খারাপ অনুভূতি নিয়ে একাই থাকতেন ভিক্টোরিয়া। তখনই নিজের দুশ্চিন্তাগুলো চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শেয়ার করতে শুরু করেন তিনি।

মাস ছয়েকের মধ্যেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত অবস্থায় চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আত্মহত্যা নিয়ে আলোচনা করতে থাকেন তিনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওই চ্যাটবটের কাছে ভিক্টোরিয়া জানতে চান কোথায়, কীভাবে নিজেকে শেষ করে দিতে পারেন তিনি।

চ্যাটজিপিটি জবাব দিয়েছিল, “যে জায়গাটার কথা জানতে চেয়েছেন, অনাবশ্যক সহানুভূতিশীলতা বাদ দিয়েই জায়গাটা খতিয়ে দেখা যাক”।

কী পদ্ধতিতে আত্মহনন করতে পারে- তার ভালো আর খারাপ দিকগুলোর একটা তালিকা দেয় চ্যাটজিপিটি। আবার এও জানায় যে, তাকে যে যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তা ‘দ্রুত মৃত্যু’র জন্য যথেষ্ট।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *