ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কোচিং সেন্টারের শিক্ষককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। দিনের পর দিন যৌন নির্যাতনের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নাবালিকা। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পকসো ও ধর্ষণ-সহ একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে শ্যামপুর থানার পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত শিক্ষকের বয়স ৫৫ বছর। তার বাড়ি শ্যামপুর থানা এলাকায়। সে এলাকায় একটি কোচিং সেন্টার চালায়। জানা গিয়েছে, নাবালিকা ছাত্রী ওই কোচিংয়ে টিউশন পড়ত। অভিযোগ, তাকে এক্সট্রা ক্লাস করানোর জন্য অপেক্ষা করতে বলত অভিযুক্ত শিক্ষক। তারপর ছাত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করত। জানা গিয়েছে, দিনের পর দিন নাবালিকা ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছে সে। এমনকী বিষয়টি কাউকে জানালে ফল ভুগতে হবে বলে হুমকিও দিত অভিযুক্ত। পুলিশ জানিয়েছে, দিন কয়েক ধরে ওই ছাত্রীর মা মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করছিলেন। রবিবার মেয়েকে এই নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন মা। এরপরেই মায়ের কাছে ভেঙে পড়ে নাবালিকা পড়ুয়া। শিক্ষকের আচরণের কথা মাকে খুলে বলে। সঙ্গে সঙ্গে মা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি জানতে পারেন, মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। এই ঘটনায় শ্যামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে রবিবার রাতেই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার অভিযুক্তকে উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হয়। পাশাপাশি নাবালিকা ছাত্রীর মেডিকেল টেস্ট করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনের পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *