
এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টার কাছে নিজেদের দাবিদাওয়া জানিয়েছে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি।
এর মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ, গণভোটের সময়, প্রশাসন দলীয়করণসহ কয়েকটি বিষয়ে বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে দল তিনটি।
এসব দাবি পূরণে ভারসাম্য রেখে কীভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে, তা নিয়ে চাপে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এর মধ্যে গত মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি এবং পরদিন বুধবার এনসিপি ও জামায়াতের নেতারা বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে কাজ করার দাবি জানায় বিএনপি।
যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলছে তাদের দুরভিসন্ধি রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনটি দলই আবার সরকার ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এছাড়া, গণভোট প্রশ্নে বিএনপি তাদের দাবিতেই অটল। তারা জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট চাইলেও তা আগে চায় জামায়াত ও এনসিপি।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— দুই উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।
এই খবরে বলা হয়েছে, দুই ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে।
তবে তারা আরও সময় নিতে চেয়েছেন। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে দৈনিকটি এই খবর প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত আগ্রহ দেখাচ্ছেন না মাহফুজ আলম। তিনি সরকারে থাকতে চান।
আর আসিফ মাহমুদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করতে পারেন। অবশ্য কোনও বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তবে আসিফ মাহমুদ গত ১৪ অগাস্ট সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি পদত্যাগ করবেন।
ছাত্র প্রতিনিধিদের কেউ না কেউ উপদেষ্টা পরিষদে শেষ পর্যন্ত থাকুক, এটা চান ছাত্র উপদেষ্টারা।
তারা মনে করছেন, না থাকলে উপদেষ্টা পরিষদে কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারেন।

এতে বলা হয়েছে, এবার জামায়াতে ইসলামীও অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে দলটি অভিযোগ করছে, প্রশাসনের ৭০-৮০ শতাংশ একটি বিশেষ দলের দখলে। কয়েকজন উপদেষ্টাও ঝুঁকে রয়েছেন সেই দলের দিকে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দলের প্রতি অনুগত কর্মকর্তাদের সরাতে সরকারপ্রধানের কাছে দাবি জানিয়েছে তারা।
গতকাল বুধবার যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে এ অবস্থান তুলে ধরে জামায়াত।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন জামায়াতকে। নির্বাচনের আগে প্রশাসনের যেকোনো রদবদল তিনি নিজেই তদারকি করবেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি, এনসিপিও একই রকম প্রশ্ন তুলে।
এদিকে, যমুনা থেকে বেরিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের কয়েকজন উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে আপত্তি থাকার কথা সাংবাদিকদের বললেও তারা কারা, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে যে সাইবার হামলা হয়, তার অর্ধেকের উৎস চীন, উত্তর কোরিয়ো ও রাশিয়া।
এর মধ্যে কেবল চীন থেকেই হচ্ছে এক-চতুর্থাংশ হামলা।
বিআইবিএমের ‘সাইবার সিকিউরিটি ইন ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর অব বাংলাদেশ: সিকিউরিং দ্য ডিজিটাল ফিউচার’ শীর্ষক উপস্থাপনা অনুযায়ী, দেশের ব্যাংক খাতে প্রতিদিন গড়ে চারশর বেশি সাইবার হামলা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য বলছে, দেশের ব্যাংকগুলো নিজেদের তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) উন্নয়নে এখন প্রতি বছর বিনিয়োগ করছে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে এ বিনিয়োগের ৯৫ শতাংশই যাচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ক্রয়, নেটওয়ার্কিং, প্রশিক্ষণ, অডিটসহ আনুষঙ্গিক খাতে।
ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠা ব্যাংকগুলোর সাইবার নিরাপত্তা খাতে ব্যয় হচ্ছে মাত্র ৫ শতাংশ অর্থ।
গ্রাহকদের অর্থের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ পর্যাপ্ত না হওয়ায় সাইবার হামলার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার।
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) থেকে লাইসেন্স ইস্যুর দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে দেওয়া হবে সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে।
এছাড়া, সরকার মনোনীত বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকেও এ প্রশিক্ষণ নেওয়া যাবে।
যেসব প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ দেবে, তারাই লাইসেন্স ইস্যু করবে।
লাইসেন্স পেতে ন্যূনতম ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে, যা বাধ্যতামূলক।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান লাইসেন্স ইস্যু পদ্ধতির সংস্কারের কথা জানান।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চলা শুনানিতে এই কথা বলেছেন পাঁচ আপিলকারীর আইনজীবী শরীফ ভূইয়া।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার শুনানির একপর্যায়ে আপিল বিভাগ জানতে চান, বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসে তাতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে কি না।
জবাবে শরীফ ভূইয়া বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে এলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। কারণ, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়েছে একটি ভিন্ন সাংবিধানিক অবস্থায়।
এই সরকার সংবিধানের কোনও অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত হয়নি। এই সরকার গঠিত হয়েছে বিপ্লব-পরবর্তী জনগণের আকাঙ্ক্ষা, দেশের সরকার পালিয়ে যাওয়ার ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা এবং দেশে একটি সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তা থেকে। এই ধরনের পরিস্থিতি সংবিধানের বৃহত্তর রীতিনীতিতে স্বীকৃত— যোগ করেন তিনি।
এই আইনজীবী আদালতে আরও বলেছেন, বর্তমান সরকারকে জনগণ কয়েকটি বিষয়ে সমর্থন দিয়েছে। তার মধ্যে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। ফলে এই সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করেই ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবে।
এছাড়া, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিধানে বলা আছে, সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হবে।
কিন্তু বিগত দ্বাদশ সংসদ ভেঙেছে এক বছরেরও বেশি সময় আগে।
কাজেই তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে এলেও ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার কোনও সুযোগ নেই। ত্রয়োদশ সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর তা গঠন করতে হবে— এমন মত আপিলকারীর এ আইনজীবীর।

এই খবরে বলা হয়েছে, পদ্মায় ছোট-বড় একাধিক কুমিরের দেখা মিলেছে। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক একটি কুমিরের ছবি তুলেছেন এক দম্পতি।
আবার নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা ছোট একাধিক কুমির দেখেছেন।
এ অবস্থায় নদীতে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে এলাকায় মাইকিংসহ নানা নির্দেশনা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেছে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।
প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সংস্থার জোট আইইউসিএনের মুখ্য গবেষক আইইউসিএনের মুখ্য গবেষক এবিএম সারোয়ার আলম জানান, ২০১৫ সালে বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমিরকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর পাবনা জেলায় একটি কুমিরের সন্ধান মেলে, পরে দেশের আরও দুটি স্থানে দেখা যায় একই প্রজাতির কুমির। কুমির দুইটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজননকেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
সারোয়ার আলম মনে করেন, এগুলো বাংলাদেশের প্রকৃতিতে জন্ম নেওয়া কুমির নয়। এরা বয়স্ক এবং সম্ভবত ভারতের চাম্বুল নদ এলাকা থেকে এসেছে।
জেলেরাও জানালেন, কয়েক দিনের মধ্যে তারাও ভারতীয় সীমান্ত লাগোয়া চরমাজারদিয়াড় এলাকায় পদ্মা নদীতে কুমির দেখেছেন। তবে তাদের দেখা কুমির ছবিতে আসা কুমিরটির মতো বড় নয়, সেটি ছোট।

এতে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার কথা জানিয়ে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকার গতকাল বুধবার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। পর্যটকদের অবশ্যই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকেট ক্রয় করতে হবে, যেখানে প্রতিটি টিকেটে ট্রাভেল পাস এবং কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকেট নকল হিসেবে গণ্য হবে।
দ্বীপে ভ্রমণের সময়সূচি এবং পর্যটক উপস্থিতিও এবার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।
আগামী নভেম্বর মাসে পর্যটকরা শুধু দিনের বেলায় ভ্রমণ করতে পারবেন, রাত্রিযাপন করা যাবে না।
ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপনের অনুমতি থাকবে। ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।
প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
দ্বীপে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি, বা বারবিকিউ পার্টি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া, সৈকতে মোটরসাইকেল, সিবাইকসহ যেকোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

15 army officials land in sub-jail in cantonment; অর্থাৎ সেনানিবাসের সাবজেলে ১৫ সেনা কর্মকর্তা। ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজের প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের দুই মামলায় এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রামপুরায় সংঘটিত অপরাধের এক মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
গতকাল বুধবার এই আদেশের পর তাদেরকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে স্থাপিত সাবজেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদেরকে প্রথম শ্রেণির বন্দির সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
কারা কর্তৃপক্ষের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) প্রিজন ভ্যানে করে গতকাল সকাল সাতটা ১৫ মিনিটের দিকে আসামি ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
অভিযুক্ত এই ১৫ আসামির একজন মেজর জেনারেল, ছয়জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, তিনজন কর্নেল, চারজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং বাকি একজন মেজর।

এতে বলা হয়েছে, চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে গতকাল বুধবার।
আজ বৃহস্পতিবার মামলাটির রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য হতে পারে।
এই মামলার অপর দুই আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
এর মধ্যে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজস্বাক্ষী হয়েছেন।
এ মামলায় প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ এনেছে।

