নৌকাবাইচে অংশ নিচ্ছে দুটি নৌকা। একটি নৌকায় দাঁড় বাইছেন হলুদ পোশাক পরা অনেক মানুষ। অন্যটিতে কয়েকজন নীল ও সাদা পোশাক পরে দাঁড় বাইছেন, আর কারো শরীরের ওপরের অংশ খালি।

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, সম্প্রতি সিলেটে একটি নৌকা বাইচ আয়োজনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে; প্রতীকী ছবিটি ঢাকার একটি নৌকা বাইচের

বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও সিলেটে কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনে বাধার অভিযোগ ওঠার পর এ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা হচ্ছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও বাধার মুখে একের পর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের ঘটনা ঘটেছিল।

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইনসে ঢুকে পুলিশের আয়োজিত অনুষ্ঠানে হামলা, কিশোরগঞ্জে কয়েকটি ব্যান্ডের একটি কনসার্ট স্থগিত করা এবং সিলেটের বিয়ানিবাজারে নৌকা বাইচ আয়োজনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমান সরকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে বাধা দূর করতে কতটা সক্রিয় সেই প্রশ্ন উঠছে।

এর মধ্যে “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গান-বাজনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে” এমন বক্তব্য দেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি’র মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের ব্যানারে শুক্রবার রাতভর বিক্ষোভ মিছিল হয়। এ প্রেক্ষাপটে শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় দুঃখ প্রকাশ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের কনসার্ট বন্ধ হওয়ার খবর প্রকাশ হওয়ার পর ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিজেই বলেছিলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটাই এমন যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর যাবত প্রায় নিষিদ্ধের মতো এলাকা। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা। পরিবেশ বিবেচনায় যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেই ব্যবস্থা নিয়েছি”।

সাংস্কৃতিক সংগঠন গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল কামাল বায়েজীদ বিবিসি বাংলাকে বলছেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে বাধা আসার পরেও কর্তৃপক্ষের নিরবতার কারণে দেশজুড়ে সংস্কৃতিকর্মীরাই নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *