কালো ও হলুদ পোশাক পরা ইউক্রেনীয় অগ্নিনির্বাপকদের একটি বিস্তৃত দৃশ্য, যেখানে তারা ড্রোন হামলার পর সম্ভবত একটি গুদামের ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠতে থাকা আগুন পর্যবেক্ষণ করছেন।

ছবির উৎস, Reuters

ছবির ক্যাপশান, রাজধানীর পশ্চিমে অবস্থিত গুদামটিতে গোলাবারুদ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল কী-না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠে একটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের ডিপোতে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রায় ৪০০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার গভীর রাতে একটি আবাসিক এলাকার কাছে অবস্থিত ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর অস্ত্রাগারে ওই হামলায় গোলা, মাইন ও ড্রোনে বিস্ফোরণ ঘটে।

এর ফলে সৃষ্ট বিস্ফোরণে আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি পরিচর্যা কেন্দ্রও রয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অস্ত্র সংরক্ষণের এই স্থাপনাটি নিশ্চয়ই সেখানে থাকা উচিত ছিল না। বিস্ফোরক মানুষের বসবাসের একেবারে পাশে সংরক্ষণ করার ঘটনায় ‘ভয়াবহ অবহেলার’ অভিযোগ তদন্তে একটি তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত কয়েক মাসের মধ্যে কিয়েভের কাছে কোনো অস্ত্রভাণ্ডারে এটি দ্বিতীয় হামলা। এ ঘটনায় নতুন করে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *