আরব উপদ্বীপের একটি মানচিত্রের সামনে সমুদ্রে থাকা দুটি তেলবাহী ট্যাংকারের সমন্বয়ে তৈরি গ্রাফিক। মানচিত্রের ওপর সাদা রেখা দিয়ে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইনের রুট দেখানো হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডান পাশে সামনে একটি বড় ট্যাংকার এবং বাম পাশে দূরে একটি ছোট ট্যাংকার দেখা যাচ্ছে। মানচিত্রে পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের আশপাশের দেশ ও উপকূলরেখা দেখানো হয়েছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প রুট থাকলেও বৈশ্বিক সমুদ্রপথে তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বহনকারী হরমুজ প্রণালির সঙ্গে কোনো রুট বর্তমানে পাল্লা দিতে পারে না

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি আবারও বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

স্থায়ীভাবে সংঘাত অবসানের পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি সইয়ের মাত্র এক মাস পরই দুই দেশ আবারও একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে।

নতুন করে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে।

যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, তাহলে উপসাগরীয় রপ্তানিকারকরা তাদের তেল ও গ্যাস বাজারে পৌঁছাতে কি বিকল্প রুট ব্যবহার করতে পারবেন?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে, তবে বর্তমানে এর কোনোটিই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের পূর্ণাঙ্গ বিকল্প হতে পারবে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *