এবার আর ফিফা বিশ্বকাপে শোনা যাবে না ভুভুজেলার শব্দ। অবশ্য শুধু ভুভুজেলা নয়, কোনওরকম জোরালো শব্দের বাদ্যযন্ত্র নিয়েই মাঠে প্রবেশের অনুমতি নেই। এমনকী, রিইউজেবল জলের বোতল নিয়ে প্রবেশেও আপত্তির রয়েছে ফিফার।
ফুটবল বিশ্বকাপের জনপ্রিয় বাদ্যযন্ত্র বলতেই কানে বেজে ওঠে ভুভুজেলার শব্দ। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবার জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ভুভুজেলা। যার শব্দ অনেকটা যানবাহনের হর্নের মতোই শোনায়। দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপে যে বাঁশি জনপ্রিয়তার শিখর ছুঁয়েছিল। তীব্র সেই শব্দের মধ্যে মাধুর্য কতটুকু ছিল রয়েছে তা সন্দেহ, কিন্তু তীব্রতাই তার শক্তি। যদিও সেই বিকট আওয়াজ অনেক সময় ফুটবলার, কোচ এমনকী ফুটবলভক্তদেরও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াত। আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপে সেই ভুভুজেলা নিষিদ্ধ।
আরও পড়ুন:
ওই প্রবল স্বরের বাদ্যযন্ত্র ‘ভুভুজেলা’ নিয়ে মাঠে দর্শকদের ঢোকার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেওয়া হয়েছে। ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়িয়ে দিয়েছিল ‘ভুভুজেলা’। কিন্তু ‘কোড অফ কনডাক্ট’কে কারণ দেখিয়ে এবার তা বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। ‘ভুভুজেলা’ তো বটেই। হুইসল। এয়ার হর্ন। কোনও কিছু নিয়েই এবার বিশ্বকাপের মাঠে খেলা দেখতে ঢোকা যাবে না। খেলার মাঠে ‘শব্দ দূষণ’ যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে চায় ফিফা।
আসলে বিশ্বকাপের আগে বিতর্কিত শিরোনাম টানা সৃষ্টি করে চলেছে ফিফা। মাঠে ‘রিইউজেবল’ জলের বোতল নিয়ে ঢোকার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বলা হচ্ছে, সমর্থকদের স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করে অর্থকে গুরুত্ব দিচ্ছে ফিফা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমনিই প্রবল গরম ভোগাচ্ছে জনজীবনকে। জলের বোতল নিয়ে না ঢুকতে পারলে, সমর্থকদের অসুস্থ হয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা। বিকল্প জলের বন্দোবস্ত কী থাকবে, সেটাও সুস্পষ্ট করে কোথাও বলা হয়নি। অনেকেই উত্তেজিত ভাবে বলেছেন যে, হিটস্ট্রোকে যদি কোনও সমর্থক আক্রান্ত হন, বা কারও যদি মৃত্যু হয়, তা হলে কী হবে? তার দায় কে নেবে? শুক্রবার কিছু মেডিক্যাল অর্গানাইজেশনও একহাত নিয়ে রেখেছে ফিফাকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
