ইস্টবেঙ্গল ২ – ইন্টার কাশী ১
মোহনবাগান ২ – এসসি দিল্লি ১
(গোলপার্থক্যে চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল)

২২ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অবশেষে জাতীয় স্তরে ফের ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথম বার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হল লাল-হলুদ শিবির।

শেষ ম্যাচের আগে পরিস্থিতি ছিল টানটান। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান— দুই প্রধানের কাছেই ছিল ট্রফি জয়ের সুযোগ। তবে সমীকরণে এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ। শেষ পর্যন্ত দুই দলই নিজেদের ম্যাচ জিতলেও গোলপার্থক্যে এগিয়ে থেকে ট্রফি জিতে নেয় ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল অস্কার ব্রুজ়োর দল। ১৪ মিনিটে আলফ্রেড প্লানাসের গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার কাশী। সেই সময় কিশোর ভারতীর গ্যালারিতে নেমে আসে উদ্বেগ। তবে পিছিয়ে পড়েও আত্মবিশ্বাস হারায়নি ইস্টবেঙ্গল।

প্রথমার্ধে একাধিক আক্রমণ করেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি লাল-হলুদ। ইউসেফ এজ়েজারির সামনে ভালো সুযোগ এলেও তা কাজে লাগানো যায়নি। অন্য দিকে প্রভসুখন সিংহের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে গোলরক্ষকের ভুলের সুযোগ নিয়ে সমতা ফেরান ইউসেফ এজ়েজারি। এই মরসুমে সর্বাধিক গোল করে সোনার বুটও জিতলেন তিনি।

সমতা ফেরার পর আক্রমণের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় লাল-হলুদ। ৭২ মিনিটে বিপিন সিংহের নিখুঁত ক্রস থেকে রশিদের জয়সূচক গোলেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় ট্রফি। মরসুমে এটাই ছিল রশিদের প্রথম গোল, আর সেটাই ইতিহাস গড়ে দিল ইস্টবেঙ্গলের জন্য।

অন্য দিকে যুবভারতীতে এসসি দিল্লিকে ২-১ গোলে হারালেও হতাশ হতে হল মোহনবাগানকে। সমান ২৬ পয়েন্ট পেয়েও গোলপার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানেই শেষ করতে হল সবুজ-মেরুনকে।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে কিশোর ভারতী স্টেডিয়াম। সমর্থক, ফুটবলার ও কোচ— সকলের আবেগে ভেসে যায় লাল-হলুদ শিবির। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর আবার ভারতসেরা ইস্টবেঙ্গল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *