সৌন্দর্যচর্চা

ছবির উৎস, Serenity Strull/ BBC/ Getty Images

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

সামাজিক মাধ্যমে বর্তমানে বিউটি থেরাপি বা রূপচর্চার বিচিত্র সব ট্রেন্ড চলছে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণা কি বলছে, এগুলো আসলেই কার্যকর?

দক্ষিণ কোরিয়ার সোওলের ‘ইউ অ্যান্ড আই’ ক্লিনিকে ত্বকে সজীবভাব ফেরানোর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রিটমেন্টগুলোর একটি হলো ত্বকের ডার্মিস স্তরে, অর্থাৎ ত্বকের মাঝখানের পুরু স্তর যেখানে রক্তনালী, স্নায়ু এবং গ্রন্থি থাকে, সেখানে স্যামন মাছের শুক্রাণু থেকে নেওয়া ডিএন-এর ক্ষুদ্র অংশ ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হয়।

ক্লিনিকটির নন্দনতত্ত্ব বিভাগের চিকিৎসক এবং ইয়োসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাজাঙ্কট প্রফেসর কিউ-হো ই বলেন, “এর লক্ষ্য ফিলারের মতো ত্বক টানটান করা নয়, বরং এটি ত্বকের প্রাইমিং বা বায়োস্টিমুলেশন হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে সুস্থ রাখা এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।”

বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু কিউ-হো ই জানিয়েছেন, এ ধারণা এসেছে মূলত রিজেনারেটিভ মেডিসিন এবং ক্ষত নিরাময় বিদ্যা থেকে।

যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ব্যক্তিদের মুখের ক্ষতচিহ্ন সারিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ত্বকের টিস্যু পুনর্গঠন করার কাজে মাছের ডিএনএর অংশগুলো ব্যবহার করা হত, সেখান থেকেই মূলত এটি বিজ্ঞানীদের নজরে আসে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *