ছবির উৎস, Screen Grab
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ জন আসামির সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বিক্রি করে জুলাইয়ে আহত বা নিহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় এই রায় দেওয়া হয়।
এই মামলায় আওয়ামী লীগের সাতজন নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে- “আসামি ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ এবং মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক (৫০ শতাংশ) বাজেয়াপ্ত করা হলো এবং উক্ত সম্পত্তি বিক্রয়লব্ধ অর্থ হইতে জুলাই বা অগাস্ট ২০২৪ সময়কালে নিহত ও আহত সকল ব্যক্তি বা তাদের পরিবারবর্গকে জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।”
এই পাঁজনের বাইরে এই মামলায় আসামি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলার সব আসামিই পলাতক আছেন।
আসামিদের সম্পদ বাস্তবায়নের বিষয়ে এক প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “এই রায় বাস্তবায়ন করবে সরকার এবং তাদের কার কোথায় কী সম্পদ আছে রাষ্ট্র বা সরকার সেটা খুঁজে বের করবে এবং সে অনুযায়ী তাদের যে সম্পদ পাওয়া যাবে তার অর্ধেক বাজেয়াপ্ত হবে।”
আইনানুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রকাশিত হওয়ার পরে ৩০ দিন পর্যন্ত আসামিদের আপিল করার সুযোগ থাকে।
চিফ প্রসিকিউটর মি. ইসলাম বলেন, “৩০ দিন পর্যন্ত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থায় যাওয়ার হয়তো সুযোগ নাই। কিন্তু ৩০ দিন পর থেকে বাংলাদেশ সরকারের এই রায় বাস্তবায়ন করতে কোনো বাধা নেই।”
ছবির উৎস, Obaidul Quader facebook
