খবর অনলাইন ডেস্ক: ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা হারলেও ব্যক্তিগত সাফল্যের মুকুট উঠেছিল লিওনেল মেসির মাথায়। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি জিতেছিলেন সোনার বল। কিন্তু এ বারের বিশ্বকাপ থেকে আমেরিকা ছাড়তে হল তাঁকে একেবারে খালি হাতে। কোনও ব্যক্তিগত পুরস্কারই জোটেনি আর্জেন্টাইন মহাতারকার।
অন্য দিকে, ব্যক্তিগত সম্মানের মঞ্চে কার্যত একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। চারটি প্রধান পুরস্কারের মধ্যে তিনটিই গিয়েছে তাদের ঝুলিতে। বাকি একটি জিতেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে।
– বিজ্ঞাপন –
সোনার বুট: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স)
ফাইনালের আগেই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল এমবাপের সোনার বুট জয়। গোটা প্রতিযোগিতায় তিনি করেছেন ১০টি গোল এবং চারটি অ্যাসিস্ট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মেসির ঝুলিতে ছিল আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট। গোলসংখ্যায় এগিয়ে থাকায় টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতেন ফরাসি তারকা।
সোনার বল: রদ্রি (স্পেন)
বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার উঠেছে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির হাতে। সাধারণত মিডফিল্ডারদের এই সম্মান খুব কমই দেওয়া হয়, কিন্তু গোটা প্রতিযোগিতায় নিজের অসাধারণ পারফরম্যান্সে ব্যতিক্রম তৈরি করেছেন তিনি। স্পেনের মাঝমাঠকে নিখুঁতভাবে পরিচালনা করার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক সফল পাস দেওয়ার নজিরও গড়েছেন রদ্রি। তাঁর নেতৃত্বেই আক্রমণাত্মক ও ছন্দময় ফুটবল খেলেছে স্পেন।
সোনার গ্লাভস: উনাই সিমন (স্পেন)
স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনের হাতে উঠেছে সেরা গোলকিপারের পুরস্কার। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন তিনি। প্রতিপক্ষের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন সিমন। তাই সোনার গ্লাভস জয়ের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার।
সেরা উদীয়মান তারকা: পাউ কুবারসি (স্পেন)
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্বমঞ্চে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। রক্ষণভাগকে মজবুত করার পাশাপাশি আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। তাঁর পরিণত ফুটবলবোধ ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে কুবারসির হাতেই উঠেছে সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার।
