
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর হয়ে উঠেছে। পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনে আবারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিং হচ্ছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলো আজ এসব খবর গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছে।
খবরে বলা হচ্ছে, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর হয়ে উঠেছে। বিদেশে বসেই নাড়ছে কলকাঠি। যখন যাকে দরকার দিচ্ছে ফোন, চাইছে মোটা অঙ্কের চাঁদা।
কখনো দেশে থাকা সহযোগী সরাসরি গিয়ে ফোন ধরিয়ে দিচ্ছেন। বলা হচ্ছে ‘বড় ভাই’ কথা বলবেন। দিতে হবে মোটা অঙ্কের চাঁদা, না দিলে খবর আছে।
টাকা দিতে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে দিনক্ষণ। রাজি না হলে বলা হচ্ছে, ‘চাঁদা না দিলে জীবন দিবি। যে কোনো একটা দিতেই হবে।’ ভুক্তভোগীদের অনেকে ভয়ে পুলিশ তো দূরের কথা, কোথাও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
শুধু ব্যক্তি পর্যায়ের চাঁদাবাজিতেই শেষ নয়, রাজধানীর এলাকা ধরে ধরে বাজার ও ফুটপাত থেকে দৈনিক লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণেও তারা কম যান না।
এছাড়া বড় অঙ্কের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, দরকার হলে টাকার বিনিময়ে কারও বাড়ি দখলও তাদের জন্য যেন মামুলি ব্যাপার। এভাবে দেশ থেকেই কোটি কোটি টাকার চাঁদার ভাগ যাচ্ছে হুন্ডি হয়ে বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কাছে। চাঁদার টাকায় সেখানে তাদের বিলাসী জীবন আরও নির্বিঘ্ন হচ্ছে।

‘পুলিশের পোশাকে আবারও পরিবর্তন আনা হচ্ছে’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনে আবারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, পুলিশের পোশাকে গাঢ় নীল এবং হালকা অলিভ রঙের সংমিশ্রণ ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫’ সংশোধনের একটি প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহানের সই করা এক চিঠিতে ওই প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আগে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুলিশের শার্ট গাঢ় ধূসর এবং প্যান্ট গাঢ় নীল থেকে পরিবর্তন করে শার্ট ‘লোহার রং’ এবং প্যান্ট ‘কফি রং’ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তবে মাঠপর্যায়ে এই পরিবর্তন নিয়ে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন রঙের নমুনা পর্যালোচনা করেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শক্রমে নতুন করে রং নির্বাচন করেন।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সব মেট্রোপলিটন পুলিশের শার্টের রং হবে হালকা অলিভ (জলপাই)।

খবরে বলা হচ্ছে, এক বছরের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে চালের দাম মানভেদে প্রায় ১৯ শতাংশ পর্যন্ত কমলেও দেশের বাজারে উল্টো বেড়েছে সাড়ে ৫ শতাংশ পর্যন্ত।
একইভাবে পাম অয়েল, মসুর ডাল, রসুনসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও বাংলাদেশে তা বেশি রয়েছে। সরকারের দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাস্কফোর্সের বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারে সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকায় বিশ্ববাজারে দাম কমলেও ভোক্তারা এর সুফল পাচ্ছেন না।
এ পরিস্থিতিতে বাজার মনিটরিং জোরদার এবং উৎপাদন খরচ কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বছর আগে বিশ্ববাজারে ৫ শতাংশ আধাসিদ্ধ চালের দাম ছিল প্রতি টন ৫২৯ ডলার, যা গত ১৯ এপ্রিল কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩৩ ডলারে।

খবরে বলা হচ্ছে, পরিবার পরিকল্পনায় গর্ব করার মতো ঈর্ষণীয় জাতীয় সাফল্য এখন ম্লান হওয়ার পথে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের অবহেলা, অমনোযোগ ও গাছাড়া ভাবে পুরো জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তথা পরিবার পরিকল্পনায় ‘লাল বাতি’র দশা।
জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল কিংবা কনডমসহ বিভিন্ন উপকরণের স্টক প্রায় ফুরিয়ে এখন তা চরম ঝুঁকিপূর্ণ স্তরে এসে ঠেকেছে। খোদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট পোর্টালের (এসসিএমপি) মনিটরিং ড্যাশবোর্ডে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এসব উপকরণের স্থলে ‘লাল চিহ্ন’ দৃশ্যমান হয়ে রয়েছে; যার অর্থ, মাঠ পর্যায়ে প্রায় সব উপজেলায় কনডম, বড়ি, ইমপ্লান্ট, আইইউডির মজুদ প্রায় শূন্যের কোঠায়।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপকরণ ও সরবরাহ) মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, মনিটরিং ড্যাশবোর্ডে ‘লাল’ হয়ে থাকার অর্থ হলো মজুদ নেই বা মজুদ তিন মাসের কম।
আর ‘হলুদ’ সংকেত নির্দেশ করে মজুদ তিন থেকে সাড়ে পাঁচ মাস পর্যন্ত রয়েছে। ছয় মাসের বেশি মজুদ থাকলে সংকেত হবে ‘সবুজ’।

খবরে বলা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ১৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে—৫৭টি সরকারি ও ১১৬টি বেসরকারি।
তবে বর্তমানে ১৬৩টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে। এর মধ্যে ৩৫টি পাবলিক ও ১০৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল অনুষদ রয়েছে।
এত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশল শিক্ষা চালু থাকলেও আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বৈশ্বিক বিভিন্ন র্যাংকিং বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে দেশের মাত্র ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিতে পেরেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষা খাতে কম বরাদ্দ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে পর্যাপ্ত গুরুত্বের অভাব এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার ঘাটতির কারণেই মূলত দেশের প্রকৌশলবিদ্যায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হচ্ছে না।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা ‘কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস’ (কিউএস) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির র্যাংকিং ২০২৬-এ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে মাত্র দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে—বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

গ্রীষ্মের তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ খাতে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। শহর থেকে গ্রাম — সর্বত্রই লোডশেডিং এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা।
দিনে-রাতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে সরকারের তোড়জোড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
একদিকে অস্বস্তিকর লোডশেডিং, অন্যদিকে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা — দুই সংকট মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বলছেন, লোডশেডিংয়ের কারণে জীবন-যাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর ওপর বিদ্যুতের দাম বাড়লে নিত্যপণ্যের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে।
একদিকে গরমের কষ্ট, অন্যদিকে বিদ্যুৎ-সংকট — সব মিলিয়ে জনজীবনে তৈরি হয়েছে চাপা ক্ষোভ ও উদ্বেগ। রাজধানী ঢাকায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এখন আর আগের মতো স্থিতিশীল নেই।
মিরপুর, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা এলাকায় দিনে ৩ থেকে ৫ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও ২০-৩০ মিনিট, কোথাও আবার এক ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Villages sweat amid lengthy power cuts’ অর্থাৎ ‘বিদ্যুৎ বিভ্রাটে গ্রামবাসীরা দুর্ভোগে’.
খবরে বলা হচ্ছে, তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে দেশজুড়ে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরও তীব্র হয়েছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস, কয়লা এবং ফার্নেস অয়েলের ঘাটতির কারণে সরকার অফ-পিক সময়ের চাহিদাও মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
গত সপ্তাহের মতই এই সপ্তাহেও পিক-আওয়ারে দৈনিক ঘাটতি ১,৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এই ঘাটতির কারণে কিছু এলাকায় গড়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। বিতরণকারী সংস্থাগুলো বলছে, গ্রামীণ এলাকাগুলোতে এর চেয়েও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন গ্রাহকেরা প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কথা জানিয়েছেন।
গতকাল দুপুরে দিনের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৫,৫০০ মেগাওয়াট, সেখানে উৎপাদন ছিল ১৪,০৬৯ মেগাওয়া। ফলে ১,৪৬২ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘No cases filed in 61pc attacks on shrines, darbars‘ অর্থাৎ ‘মাজার ও দরবারে ৬১ শতাংশ হামলায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি’
খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে দেশজুড়ে মাজার ও দরবারগুলোতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগসহ হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই সময়ে ঘটা ৬১ শতাংশ ঘটনাতেই কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট থেকে এ বছরের ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে ৬৫টি স্থানে ৬৭টি এমন ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে মোট ২৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে দায়ের করা ২৬টি মামলার মধ্যে পুলিশ ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। নয়টি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেছে, ছয়টি মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং ১১টি মামলা তদন্তাধীন।
অভিযোগ রয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মব-সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে মামলা নথিভুক্ত করেনি এবং অনেক ভুক্তভোগী ভয়ে অভিযোগ দায়ের করতে রাজি হননি।

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন করে বৈশ্বিক রাজনীতি ও অর্থনীতির সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। বিশেষ করে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার পর পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার নিয়েছে।
এই সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকলেও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বহুমুখী চাপে পড়েছে। একসঙ্গে সামনে এসেছে জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের সমালোচনা করা হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিষয়ে সরাসরি অবস্থান অনুপস্থিত ছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থান বাংলাদেশের কূটনৈতিক দ্বিধার ইঙ্গিত বহন করে। বাংলাদেশের ওপর এই যুদ্ধের তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে জ্বালানি খাতে।

খবরে বলা হচ্ছে, ঋণখেলাপ ও অর্থপাচারের দায়ে অভিযুক্ত এস আলম গ্রুপ কিংবা বেক্সিমকোর সাথে কোনো ধরনের সমঝোতার সুযোগ বিএনপির অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
গতকাল মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সদস্যের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য দেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জানতে চান- এস আলম ও বেক্সিমকো গ্রুপের অনাদায়ী ঋণ পুনরুদ্ধারে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আছে কি না এবং এস আলম গ্রুপের সাথে সরকারের কোনো গোপন সমঝোতা হয়েছে কি না।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে কারো সাথে অনৈতিক সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বিএনপি যখনই সরকার গঠন করেছে, আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতা নিয়ে আমাদের রেকর্ড অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন।’

