
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট
ভুক্তভোগীকেই সরকারের হয়রানির অভিযোগ; কোভিড-১৯ এর সময়ে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্থাপন করা আইসিইউ ও আরটি-পিসিআর ল্যাবগুলোর বড় অংশই বর্তমানে বন্ধ; বড়দের প্রশ্রয়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা; আইনের নজরদারির বাইরে শিশুদের দত্তক নেওয়া এবং এলপিজির বাজার ঘিরে অস্থিরতার খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Speak out at your peril, অর্থাৎ মুখ খুললেই বিপদ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা ও লুটপাটের পর সরকারি নানা সংস্থার পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সরকার ভুক্তভোগীকেই হয়রানি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনার পর রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার পদক্ষেপকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
সালমানের বিষয়ে তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউ যে তাড়াহুড়ো দেখিয়েছে সেটি বিরল।
তার শ্বশুর শেখ নুরুল ইসলাম, যিনি এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বিয়ে করার কারণে মেয়ে দিশা ইসলামের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন; তার প্রতিষ্ঠান ‘ফুয়াং বোলিং সার্ভিসেস লিমিটেডে’ একের পর এক অভিযান চালানো হচ্ছে।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর ব্রাউনফিশ তছনছের এক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘটনাগুলো ঘটেছে।
এদিকে, সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেছেন, কণ্ঠরোধের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে অন্যরাও সরকারের বিরুদ্ধে বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পাবে।’
সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে সালমান মুক্তাদিরকে হয়রানি করছে সরকার। যেটি ফ্যাসিস্ট সরকার করত, বর্তমান সরকারও একই পথে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলায় সালমানকে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, একজন নাগরিকদের সঙ্গে এমন ব্যবহার কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি গণতান্ত্রিক আচরণ নয়।

এই খবরে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্থাপন করা হয়েছিল নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ) ও আরটি-পিসিআর ল্যাব। যেগুলোর বড় অংশই বর্তমানে তালাবন্দি। এর মধ্যে রয়েছে ২৪০টি আইসিইউ ও ১৪১টি আরটি-পিসিআর ল্যাব।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ সংক্রান্ত প্রকল্পটি শেষ হয়ে যাওয়ায় ওই সময় নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকেও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
ফলে জনবল সংকটে দেশের অন্তত ২৫টি সরকারি হাসপাতালে দুই শতাধিক আইসিইউ শয্যা বর্তমানে পুরোপুরি অকার্যকর বা সীমিত কলেবরে চলছে।
অন্যদিকে, সে সময় স্থাপন করা ১৬২টি আরটি-পিসিআর ল্যাবের ১৪১টি বর্তমানে অকার্যকর। কোথাও জনবল নেই তো, কোথাও রি-এজেন্ট নেই। আবার কোথাও অবহেলা ও অযত্নে পড়ে আছে কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা এসব মূল্যবান যন্ত্রপাতি। যদিও এগুলোর মাধ্যমে অন্যান্য চিকিৎসাসেবা দেওয়া যেত।

এই খবরে বলা হয়েছে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসাবে, গত বছর ১১ লাখ ৩২ হাজার ৩৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গেছেন।
এর মধ্যে শীর্ষ ১০টি দেশে যাওয়া কর্মীদের সরকার নির্ধারিত হারে অভিবাসন ব্যয় হওয়ার কথা ছিল প্রায় ১৬ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।
অথচ মাঠপর্যায়ে পাওয়া দেশভিত্তিক সর্বনিম্ন ব্যয় ধরলেও মোট খরচ দাঁড়ায় ৫৮ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত ব্যয়ের তুলনায় ব্যবধান প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা। এ অতিরিক্ত অর্থ ভিসা কেনাবেচা, মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশন ও বিভিন্ন পর্যায়ের অননুমোদিত ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
যদিও এ অদৃশ্য বাজারের আকার নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই।
তবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সরকারি বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশি কর্মীদের প্রকৃত অভিবাসন ব্যয় সরকার নির্ধারিত হারের তুলনায় অনেক বেশি।
বিএমইটির বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা এবং মাঠপর্যায়ে পাওয়া দেশভিত্তিক ব্যয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভিসা কেনাবেচা, মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশন ও বিভিন্ন পর্যায়ের অননুমোদিত লেনদেন মিলিয়ে এ বাজারের আকার বছরে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা।

প্রথম আলোর প্রধান খবর— দত্তকের নামে শিশু কেনাবেচা।
এই সংবাদে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে শিশু বিক্রি এবং দত্তক নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। গ্রুপগুলোতে দত্তকের জন্য বাচ্চা চাওয়ার পোস্টও আছে অনেক।
আর এভাবে ফেসবুকে রীতিমতো দর-কষাকষি করে অর্ডার দিয়ে কেনাবেচার আলাপ চলছে, এমনকি শিশু মায়ের গর্ভে থাকার সময় থেকেও।
ফেসবুকের বাইরে টাকার বিনিময়ে দত্তক দেওয়া-নেওয়ার একটি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগও সরেজমিনে দৈনিকটি দেখার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এগুলো আইন এবং সরকারের নজরদারির বাইরে চলছে। এভাবে কত শিশু কেনাবেচা হচ্ছে, সে তথ্য পাওয়া কঠিন।
এদিকে, বাংলাদেশে সবার জন্য প্রযোজ্য কোনো সাধারণ (সিভিল) দত্তক আইন নেই। দেশে পারিবারিক আইনগুলো ধর্মভিত্তিক। মুসলিম পারিবারিক আইনে দত্তকের বিধান নেই।
আইনজীবীরা বলছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ আর খ্রিষ্টানরা ধর্মীয়ভাবে দত্তক নিতে পারেন। ধর্মনির্বিশেষে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে শিশুর আইনি অভিভাবকত্ব নেওয়া যায়।
এছাড়া, ২০১৩ সালের শিশু আইন অনুযায়ী, শিশুকল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিকল্প পরিচর্যার দায়িত্ব হস্তান্তরের সুযোগ আছে। কেবল এ দুটি ক্ষেত্রে নজরদারির বিধান আছে।
সরকারিভাবে শুধু সমাজসেবা অধিদপ্তরের ছয়টি ছোটমণি নিবাসে থাকা শিশুদের আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Childcare a major hurdle for working mothers; অর্থাৎ নারীর কর্মজীবনে বড় অন্তরায় সন্তানের জন্য ডে-কেয়ার সংকট।
সংবাদটিতে বলা হয়েছে, লাখো নারীর জন্য চাকরি খোঁজা কিংবা চাকরি করার ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সন্তানদের নিরাপদে রাখার মতো একটি জায়গা খুঁজে পাওয়া।
সুবিধাজনক জায়গায় নির্ভরযোগ্য শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র না পেয়ে অনেককেই চাকরি ছেড়ে দিতে হয়, কিংবা সাময়িকভাবে কর্মজীবন থেকে দূরে থাকতে হয়।
২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে কর্মজীবী নারীর সংখ্যা ২ কোটি ৩৬ লাখ। অথচ সারাদেশে সরকারি ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে মাত্র ৬৪টি, যেখানে মাত্র ৪ হাজারের কিছু বেশি শিশুর পরিচর্যার ব্যবস্থা রয়েছে।
এছাড়া, ডে-কেয়ার সেন্টারে একটি আসন পেতে কয়েক মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। কিছু সরকারি ডে-কেয়ার এমন প্রতিষ্ঠানের ভেতরে, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ কার্যত অসম্ভব।
অন্য ডে-কেয়ারগুলো নিয়েও প্রচার-প্রচারণা কম। ফলে, অনেক অভিভাবক সেগুলো সম্পর্কে জানেন-ই না।
নারী অধিকারকর্মীরা মনে করেন, ডে-কেয়ার সুবিধাকে কেবল নারীর ক্ষমতায়নের জন্য একটি কর্মসূচি হিসেবে দেখা উচিত নয়। দ্রুত নগরায়ণের বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের সুবিধা আরও বেশি প্রয়োজন।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর সারাদেশে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং তাদের অপরাধের তথ্য সংগ্রহ শুরু করে পুলিশ সদর দপ্তর। এরপর কিশোর অপরাধীদের ধরন পর্যালোচনা করে পুলিশ।
২০২০ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের আটটি পুলিশ রেঞ্জ, আটটি মহানগর ও রেলওয়ে পুলিশের আওতাধীন এলাকার ৪২৪টি মামলার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
এসব মামলায় ৩০৭টি কিশোর গ্যাংয়ের ২ হাজার ৬২৫ সদস্যের অপরাধ পর্যালোচনা করে ধর্ষণ, হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক, অস্ত্র, সাইবার অপরাধসহ ২৩ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য ওঠে এসেছে।
এদিকে, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা একসময় মহানগর ও নগরকেন্দ্রিক থাকলেও বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়েছে।
পুলিশের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কিশোররা দলবদ্ধভাবে অপরাধ করছে। এসব গ্যাংয়ের পেছনে স্থানীয় বড় সন্ত্রাসী এবং রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের অভিযোগ রয়েছে।
গবেষণা সংস্থা এশিয়ান সোশিও-লিগ্যাল সেন্টার ফর এম্পিরিক্যাল অ্যান্ড ডকট্রিনাল রিসার্চের (অ্যাসেন্ড) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কে এম জাহিদুল ইসলামের মতে, কিশোরদের কারা এই গ্যাং কালচারে নিয়ে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। ‘গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়; তাই তাদের কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, তা খুঁজে বের করা জরুরি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশের কমপক্ষে ১৩ জেলায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।
কোথাও কোথাও বেশি দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, অপারেটরদের দাবি, দেশে এলপিজির আমদানি ও মজুত স্বাভাবিক।
কিন্তু কিনতে গেলে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে।
সরকারি হিসাবে, গত অগাস্ট মাসে দেশে প্রায় এক লাখ ৫৭ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে প্রায় এক লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। এরপরও রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকার বাজারে সিলিন্ডার নিয়ে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা।
এমন অবস্থা সৃষ্টির পেছনে কৃত্রিম সংকটের মতো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এক অনলাইন সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, প্রতিযোগিতা কমিশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারি করতে হবে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— New energy roadmap targets local coal, gas, solar; অর্থাৎ দেশীয় কয়লা, গ্যাস ও সৌরশক্তিকে লক্ষ্য করে নতুন জ্বালানি রোডম্যাপ।
এই সংবাদে বলা হয়েছে, দেশীয় সম্পদ আহরণ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা, ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো এবং জ্বালানি সরবরাহের দুর্বলতা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার একটি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করেছে।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ শীর্ষক এই পরিকল্পনা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় গত ১৪ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করে।
এই পরিকল্পনার আওতায় ২০২৮-৩০ সাল পর্যন্ত মধ্যমেয়াদী কৌশলের অধীনে সরকার আনুমানিক ২০,০০০-২৫,০০০ মেগাওয়াটের চাহিদা মেটাতে আরও ১২ হাজার ৯৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে চায়।
এর মধ্যে সৌর স্থাপনা থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক চালিত বিদ্যুৎপ্রকল্পগুলো থেকে ২,৯৪০ মেগাওয়াট (বড়পুকুরিয়া ৩০০ মেগাওয়াট, পায়রা ১,৩২০ মেগাওয়াট এবং মাতারবাড়ি ১,৩২০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা।
সেই সাথে গ্রিড বিতরণ নেটওয়ার্কের আধুনিকীকরণ এবং ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা স্থাপন করাও লক্ষ্য।

এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৭ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার।
আগের অর্থবছরে একই সময়ে এ আয় ছিল ৯৯৭ কোটি ৪২ লাখ ডলার।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬.১০ শতাংশ।
তিন মাসের মধ্যে সেপ্টেম্বরে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে তুলনামূলক বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ মাসে মোট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

এতে বলা হয়েছে, উচ্চকক্ষের গঠনপদ্ধতি ও ক্ষমতা, এমনকি এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য বাড়ছে।
যদিও নির্বাচনের আগে সব দলই তাদের ইশতেহারে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়ে একমত ছিল।
সম্প্রতি সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময়ে উঠে আসা প্রস্তাবনায় সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে একদিকে যেমন টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে জটিলতার মুখেও পড়েছে উচ্চকক্ষ গঠন প্রক্রিয়াটি।
সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্প্রতি বলেছেন, একক রাষ্ট্রব্যবস্থার বাংলাদেশে দুই কক্ষের সংসদ আদৌ প্রয়োজন আছে কি না, এমন বক্তব্য এসেছে। এটি পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছেন কেউ কেউ।

