অ্যাম্বার রঙের চোখওয়ালা একটি ছোট বিড়াল ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছে। বিড়ালটির নাক কালো, কপালে ডোরাকাটা দাগ এবং ত্রিভুজাকৃতির কান রয়েছে। এর লোম ধূসর-বাদামি এবং চিতাবাঘের মতো দাগ আছে। পেছনে একটি ঘেরের তারের জাল ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় গাছপালা দেখা যাচ্ছে।

ছবির উৎস, Paola Nogales-Ascarrunz/Julie Van Collie

ছবির ক্যাপশান, বোলিভিয়ার একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে থাকা এই প্রজাতির একমাত্র জীবিত সদস্যের কথাই জানা গেছে

বলিভিয়ার বনাঞ্চলে পাওয়া একটি ছোপ ছোপ দাগযুক্ত বিড়ালকে বিজ্ঞানীরা নতুন একটি প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

গৃহপালিত বিড়ালের মতো আকারের এই ছোট ফেলাইনটি এতদিন নজরের বাইরে ছিল, কারণ একই ধরনের দাগ ও ডোরার কারণে একে অন্য বন্য বিড়ালদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হতো।

তবে ডিএনএ গবেষণায় দেখা গেছে, এই বিড়াল আসলে একেবারেই আলাদা একটি শ্রেণীর সদস্য। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণী সম্পর্কে এখনও কত কিছু অজানা রয়ে গেছে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই আবিষ্কার টাইগার ক্যাট বা বাঘ-বিড়াল সংরক্ষণের দিকে মনোযোগ বাড়াবে। দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকায় পাওয়া এই ছোট বুনো বিড়ালগুলো তাদের বড় জাতভাই যেমন সিংহ, চিতাবাঘ এবং বাঘের তুলনায় মানুষের খুব কমই মনোযোগ পেয়ে থাকে।

একটি ছোট বিড়াল একটি তাকের ওপর বসে আছে। বিড়ালটির নাক কালো, কপালে ডোরাকাটা দাগ এবং ত্রিভুজাকৃতির কান রয়েছে। এর লোম ধূসর-বাদামি এবং চিতাবাঘের মতো দাগ আছে। পেছনে একটি ঘেরের তারের জাল ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় গাছপালা দেখা যাচ্ছে।

ছবির উৎস, Paola Nogales-Ascarrunz/Julie Van Collie

ছবির ক্যাপশান, বিড়ালটিকে ডাকনাম দেওয়া হয়েছে টিগ্রিনো

টাইগার ক্যাট বা বাঘ-বিড়াল হলো ছোট, ছোপযুক্ত বুনো বিড়াল যা দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা জুড়ে, বিশেষ করে কোস্টা রিকা থেকে শুরু করে বলিভিয়া এবং আর্জেন্টিনায় দেখা যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *