নকআউটে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ভয় জাগিয়েছিল ইংল্যান্ড, শঙ্কার মেঘ জমছিল ক্রমেই। ত্রাতা হলেন অধিনায়ক হ্যারি কেন। তার শেষের দুই গোলে দারুণ এক জয় তুলেছে ইংল্যান্ড। পিছিয়ে থেকে কেনের ৭৫ ও ৮৫ মিনিটে গোলে ২-১এ জিতে শেষ ষোলোয় গেছে থ্রি লায়ন্সরা। রাউন্ড অব ৩২তে থেকে বিদায় হয়েছে আরও একটি আফ্রিকান দেশ, ডিআর কঙ্গোর।
ম্যাচের শুরুর দিকে আক্রমণ ছিল ইংল্যান্ডের। তবে সাত মিনিটে রাইট উইং থেকে বাড়ানো লম্বা বলে মাঝমাঠ পেরিয়ে লেফট উইঙ্গার ব্রাইন সিপেঙ্গা কাছে যায়। সেখান থেকে জোরালো শটে ইংল্যান্ড গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডকে বোকা বানিয়ে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। এটি সিপেঙ্গার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।
গোল হজম করে পাগলের মতো খেলতে শুরু করে হ্যারি কেনের দল। আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম ২০ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন। এরপর দুদল হাইড্রেশন বিরতিতে যায়। ৩০ মিনিটে ওই বেলিংহ্যামের বুলেট গতির হেড ঠেকিয়ে দেন কঙ্গো গোলকিপার লিওনেল এমপাসি, এ যাত্রায় বেঁচে যায় কঙ্গো।
৩৫ মিনিটে কেন, এজরি কনসা ও মার্কাস র্যাশফোর্ড গোলমুখে তিনটি শট নিলেও কঙ্গোর গোলকিপার ও ইয়োয়ানে উইসার কল্যানে বেঁচে যায় দলটি। ৪২ মিনিটে অ্যারন ওয়ান-বিসাকার অ্যাসিস্টে ইয়োয়ানে উইসা পিকফোর্ডকে পেয়ে শট নেন। তবে সেটি বারের লেগে বাইরে দিয়ে চলে যায়।
৪৩ মিনিটে ইংল্যান্ড সবচেয়ে সহজ সুযোগটি নষ্ট করেন কেন। ডি বক্সের সামনে পাওয়া বল কঙ্গোর কিপার এমপাসি ঠেকিয়ে দেন। তবে কেন ডাইভ দেয়ায় পেনাল্টির সুযোগটি সিমুলেশন হিসেবে বাতিল করে দেন রেফারি। যোগ করা ছয় মিনিটের দ্বিতীয় মিনিটে বেলিংহ্যামের নেয়া আরেকটি শট ঠেকিয়ে দেন এমপ্যাসি। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় কঙ্গো।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণে উঠে জালে মারেন র্যাশফোর্ড। পরের মিনিটে বেলিংহ্যামের আরও একটি ঠেকিয়ে দেন এমপ্যাসি। ৬৪ মিনিটে নাথানায়েল এমবুকুর শট ইংল্যান্ড খেলোয়াড়ের মাথায় না লাগলে আরেকটি গোল পেতে পারতো কঙ্গো। ৭৫ মিনিটে আর ইংল্যান্ডকে বঞ্চিত করতে পারেনি এমপ্যাসি, হেডে গোল করেন হ্যারি কেন, ১-১ সমতায় আসে থ্রি লায়ন্সরা।
ম্যাচের শেষের ঠিক পাঁচ মিনিট আগে আবারও হ্যারি কেনের গোল। ৮৬ মিনিটে কঙ্গোর ধীরেসুস্থে খেলার সময় ডি বক্সের মধ্যে বল পেয়ে ডানপায়ে জোরালো শট নেন। এবার আর কঙ্গোর গোলকিপার এমপ্যাসি আর ঠেকাতে পারেননি, ২-১ গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।


