বাঁশের দণ্ডে ঝুলিয়ে রোদে শুকানো হচ্ছে গরুর মাংসের টুকরো

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, রোদে শুকিয়ে মাংস সংরক্ষণের পদ্ধতি বিভিন্ন দেশেই প্রচলিত আছে

‘গরুর মাংসের শুঁটকি’ – কথাটি লিখে ফেসবুকে সার্চ দিতেই সামনে চলে আসে অসংখ্য ছবি, ভিডিও আর বিজ্ঞাপন। কেউ অনলাইনে বিক্রি করছেন গরুর মাংসের শুঁটকি, কেউ বিক্রি করছেন গরুর মাংসের আচার। অনেকে আবার ভিডিও পোস্ট করে তাতে দেখাচ্ছেন যে কীভাবে তৈরি করতে হয় মাংসের শুঁটকি ভুনা, ভর্তা বা ঝাল রান্না।

একসময় যে খাবারটি মূলত গ্রামের ঘরোয়া সংরক্ষণ পদ্ধতির অংশ ছিল, এখন সেটিই ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে অনলাইন ব্যবসা, ফুড ভ্লগ আর শহুরে খাবারের তালিকায়।

বিশেষ করে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার সময় কোরবানির মাংস সংরক্ষণের উপায় হিসেবে অনেক পরিবার গরুর মাংসের শুঁটকি তৈরি করতো।

আগেকার দিনে আজকের মতো ধনী-গরীব নির্বিশেষে ঘরে ঘরে রেফ্রিজারেটর ছিল না। তাই, মানুষ তখন মাংসে লবণ, হলুদ ও বিভিন্ন মসলা মাখিয়ে রোদে শুকাতো। এতে মাংস দীর্ঘদিন ভালো থাকতো এবং পরে রান্না করেও খাওয়া যেত।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় অঞ্চল ও কিছু গ্রামীণ এলাকায় যুগ যুগ ধরে এভাবেই মাছের পাশাপাশি মাংসের শুঁটকিও করা হতো এবং কোথাও কোথাও এখনও তা টিকে আছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *