তারকায় ঠাসা ফ্রান্স দল প্রথমার্ধে বেশ লড়াই করেছিল সেনেগালের বিপক্ষে। তেমন আক্রমণও তৈরি করতে পারেনি গতআসরের রানার্সআপ দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে চিরচেনা রূপে ফেরে দিদিয়ের দেশম বাহিনী। কাইলিয়ান এমবাপের জোড়া গোল রেকর্ড স্পর্শ এবং বারকোলো দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ৩-১ গোলে সেনেগালকে হারিয়েছে তারা।

নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেনেগালের জালে দুই গোল জড়িয়ে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা মুকুট এখন এমবাপের দখলে। অলিভিয়ের জিরুডের ৫৭ গোল ছাড়িয়ে রিয়াল মাদ্রিদ তারকার গোল এখন ৫৮। এই দুই গোলে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪টিতে।

প্রথমার্ধে ফ্রান্সের বিপক্ষে বেশ দাপট দেখিয়েছিল ফ্রান্স। গোলের একাধিক সুযোগও পেয়েছিল তারা। কিন্তু পোস্টের বাধা এবং ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় গোল পায়নি আফ্রিকান দেশটি। গোল শূন্য সমতাতে বিরতিতে যায় দুদল।

বিরতির পরও নেমেও দারুণ করেছিল সেনেগাল। রক্ষণপ্রাচীর ও আক্রমণের পসরা সাঁজিয়ে ফ্রান্সকে প্রায় ভড়কে দিয়েছিল তারা। তবে আফ্রিকান দেশটির ছন্দে পতন ঘঠে ৬৬ মিনিটে। একের পর এক আক্রমণের জেরে জালে বল জড়ান এমবাপে। মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন ফ্রান্স অধিনায়ক।

পরের মিনিটেই ফ্রান্স জালে বল জড়ায় সেনেগাল। তবে গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ৭৯ মিনিটে উসমানে ডেম্বেলের বদলি হিসেবে ব্র্যাডলি বারকোলাকে নামান দেশম। এরপর মাত্র ৩ মিনিটেই লিড বাড়িয়ে নেন। ৮২ মিনিটে আদ্রিয়েন রাবিওতের লম্বা করে বাড়ানো পাস ধরে ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান এই পিএসজি তারকা।

যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে একটি গোল শোধ করে সেনেগাল। ফ্রান্স জালে বল জড়ান ইব্রাহিম এমবায়ে। পরের মিনিটে এমবাপে ঝলক, বক্সের বাইরে থেকে অবিশ্বাস্য এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি তারকা। ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় দেশটি। পরে লিড ধরে রেখেই মাঠ ছাড়েন দেশম শিষ্যরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *