স্মিতা দাস
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি হয়েছে টেলিছবি ‘আমি শেখ মুজিবের মেয়ে’। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার সল্টলেকের উন্নয়ন ভবনে ছবিটির প্রদর্শন হওয়ার কথা। প্রায় ৫০ মিনিটের এই ছবির শুটিং গত এক বছর ধরে কলকাতায় হয়েছে। ছবিটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মন্ট্রিয়েল-প্রবাসী সহিদ রাহমান।
– বিজ্ঞাপন –
শেখ হাসিনার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে কলকাতা ও নয়াদিল্লিতে ছ’দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবেই ছবিটির প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের বক্তব্য, শেখ হাসিনার জীবনের বিভিন্ন দিক এবং ২০২৪ সালের পর তাঁর দেশত্যাগের পরিস্থিতি ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। তবে ছবির পরিচালক সহিদ রাহমান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এটি কোনও রাজনৈতিক ছবি নয়, বরং শেখ হাসিনার জীবনের সংগ্রাম ও দেশত্যাগের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি ছবি।
‘জীবনের সংগ্রাম ও দেশত্যাগের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে’
পরিচালক সহিদ রাহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো এবং তাঁর জীবন, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা। ছবিতে কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল, সেই ঘটনাক্রমও তুলে ধরা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা শেখ হাসিনার সমর্থক প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত। বুধবার কলকাতায় আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে আমেরিকা, কানাডা, গ্রিস, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা নিজেদের বসবাসের দেশগুলির প্রশাসন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের কাছেও বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরছেন। ছবির নির্মাতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টিও ছবিতে গুরুত্ব পেয়েছে।
কলকাতায় শুটিং, পরে দিল্লিতেও প্রদর্শন
‘আমি শেখ মুজিবের মেয়ে’ ছবিটির পুরো শুটিং কলকাতায় হয়েছে। প্রায় ৫০ মিনিটের ছবিটি কলকাতার প্রদর্শনের পর নয়াদিল্লিতেও দেখানো হবে বলে আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে। ছবিটি ইউটিউবের মাধ্যমেও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে পরিচালক জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
আয়োজকদের দাবি, শেখ হাসিনার জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং দেশত্যাগের প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করেই ছবিটির নির্মাণ। অন্যদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাংবাদিক বৈঠকের বক্তব্যে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ এবং শেখ হাসিনার প্রতি তাঁদের সমর্থনের কথাও উঠে এসেছে।
