বাম পাশে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন এবং তেল উত্তোলন যন্ত্রপাতির ছবি দেখা যাচ্ছে, মাঝখানে আছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ডান পাশে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, যার পেছনে চীনের পতাকার একটি অংশ দেখা যাচ্ছে।

ছবির উৎস, BBC / Getty Images

যুক্তরাষ্ট্রে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ সফরের কয়েক দিন আগেই বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে স্বাগত জানানো হয়েছে, যা তেহরানের ওপর চীনের প্রভাবের একটি প্রমাণ।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প-শি বৈঠকের আলোচ্যসূচির শীর্ষ বিষয়গুলোর একটি হওয়ার কথা রয়েছে ইরান যুদ্ধ।

সাত মাস আগে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চীন একটি ধারাবাহিক অবস্থান বজায় রেখেছে। তারা ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার নিন্দা করেছে, পাশাপাশি তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞারও সমালোচনা করেছে।

একই সময়ে, তারা বারবার যুদ্ধের অবসান এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বিশাল তেলের মজুত এবং জ্বালানি উৎস বৈচিত্র্যকরণের কৌশলের কারণে এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের প্রভাব ভালোভাবেই সামলেছে চীন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *