টলিউড ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাজেশ শর্মার আকস্মিক অসুস্থতার ঘটনা এবার এক নতুন মোড় নিল। রটেছে, হায়দরাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে প্রভাস অভিনীত ‘ফৌজি’ (Fauji) ছবির শুটিং ফ্লোরেই নাকি কোনও বিষাক্ত পোকার কামড়ে এই রাজেশের এই বিপত্তি ঘটেছে। এই রটনা কতটা সত্যি এবং সত্য়িই কি এমন ঘটেছে? এই প্রশ্ন তুলে এবার সরাসরি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডির দ্বারস্থ হল সর্বভারতীয় চলচ্চিত্র সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়ান সাইন ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (AICWA)। সেটে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধির গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে তাঁরা।

রাজেশ শর্মার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে ফিল্ম সংগঠনগুলি। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডিকে দেওয়া একটি চিঠিতে ‘অল ইন্ডিয়ান সাইন ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (AICWA)-এর পক্ষ থেকে জোরালো আবেদন জানানো হয়েছে। সংগঠনের দাবি,

“রামোজি ফিল্ম সিটিতে ‘ফৌজি’ ছবির শুটিং সেটে ঠিক কী ঘটেছিল এবং অভিনেতা রাজেশ শর্মার এই আশঙ্কাজনক পরিস্থিতির আসল কারণ কী, তা জানতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক। একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হোক যে, সেটে কাজের পরিবেশ, স্বাস্থ্যবিধি এবং জরুরি চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত প্রোটোকল মেনে চলা হয়েছিল কি না। এই ঘটনায় প্রযোজক, প্রযোজনা সংস্থা বা অন্য কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি থাকলে তাও যেন কঠোরভাবে চিহ্নিত করা হয়।”

সম্প্রতি হায়দরাবাদে থেকে কলকাতায় ফিরেছিলেন রাজেশ শর্মা। অভিনেতা ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর,  শহরে পা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে। আচমকাই তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা (Sugar Level) অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যায়। এর ফলে অভিনেতার পায়ে গভীর ক্ষত (Infection) তৈরি হয় এবং পা মারাত্মকভাবে ফুলে যায়। সোমবার রাতে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় কোনও ঝুঁকি না নিয়ে তড়িঘড়ি তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল ২৪ ঘণ্টা অভিনেতাকে পর্যবেক্ষণে রাখছেন। সোমবার রাতের চেয়ে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও পায়ের সংক্রমণ পুরোপুরি দূর করতে একটি জরুরি অস্ত্রোপচারের (Surgery) সিদ্ধান্ত নিতে পারেন চিকিৎসকেরা। তবে অস্ত্রোপচারটি ঠিক কবে হবে, তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে রাজেশের ঠিক কী হয়েছে, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত চিকিৎসকদের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *