সংখ্যালঘুদের মন জয় শুভেন্দুরImage Credit: TV9 Bangla
নন্দীগ্রাম: সংখ্যালঘুদের মন হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং উল্টোটাই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বার্তায় সাড়া দিয়ে গেরুয়া শিবিরের ওপরেই আস্থা রেখেছেন সংখ্যালঘুরা। সংখ্যালঘু ভোট পেয়েছে কংগ্রেসও। বাংলার যে কোনও নির্বাচনেই সংখ্যালঘু ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। ছাব্বিশের নির্বাচনে বিজেপির ভোটব্যাঙ্কে বড় ধরনের মেরুকরণ ও পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। উপনির্বাচনের আগে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের পক্ষ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, “এটাই সংখ্যালঘু ভোটারদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ এবং তাদের প্রধানমন্ত্রী মোদীর উন্নয়নের ধারায় সামিল হতে হবে।” তাতে সাড়াও মিলল। ‘সুযোগ’ হাতছাড়া করলেন না সংখ্যালঘুরা।
সংখ্যালঘু বুথ গুলোতে সবথেকে খারাপ অবস্থা তৃণমূলের। সেখানে কংগ্রেস ৭০ বা ১০০ টা করে ভোট পেলেও মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস সেই বুলিতে ৮ অথবা ১০ টি করে ভোট পেয়েছে। সবথেকে খারাপ অবস্থা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের। তাদের ঝুলিতে ২ থেকে ৩টি করে ভোট জুটেছে।
নন্দীগ্রামে সংখ্যালঘু এলাকাতে অভাবনীয়ভাবে এগিয়ে বিজেপি। এক সংখ্যালঘু মহিলা বলেন, “আর বিরোধী বলে লাফালাফি করুক না কেন! কংগ্রেস বলে আর কিছু থাকবে না, আর তৃণমূল বলে তো কিছুই নেই। আমরা দাদার কথায় ভরসা রেখেছি।” এখনও পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, সংখ্যালঘুরাও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের ওপর ভরসা রাখছেন। এখন তাঁদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘জুজু’। সংখ্যালঘু ওই মহিলা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জুজু দেখিয়ে আসছিলেন। এখন মানুষ ঠগ-বেইমানদের চিনে গিয়েছে।”
উল্লেখ্য, ছাব্বিশের নির্বাচনেই এই ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল। মালদহ-মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের ‘পুঁজি’তে থাবা বসিয়েছিল বিজেপি। নন্দীগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচনেও সেটাই হল।
